খামারি
জুয়েল
বলেন,
তিন
বছর
ধরে
গমের
ভুসি
ও
ঘাস
খাইয়ে
ষাঁড়টি
পালন
করা
হয়েছে।
মোটাতাজাকরণে
কোনো
ধরনের
ওষুধ,
রাসায়নিক
উপাদান
বা
গবাদিপশুর
ফিড
ব্যবহার
করা
হয়নি।
ইতিমধ্যে
গরুটির
দাম
সাড়ে
চার
লাখ
টাকা
পর্যন্ত
উঠেছে।
কোরবানির
ঈদ
উপলক্ষে
ময়মনসিংহ
জেলায়
স্থানীয়
প্রশাসন
ও
সিটি
করপোরেশনের
তত্ত্বাবধানে
১৫২টি
স্থায়ী
ও
অস্থায়ী
পশুর
হাট
বসেছে।
সার্কিট
হাউস
মাঠের
এই
অস্থায়ী
হাট
চলবে
ঈদের
দিন
সকাল
পর্যন্ত।
জেলা
প্রাণিসম্পদ
কর্মকর্তার
কার্যালয়
সূত্রে
জানা
গেছে,
জেলার
১৩টি
উপজেলায়
কোরবানিযোগ্য
পশু
আছে
২
লাখ
৪
হাজার
১৪৮টি।
এর
বিপরীতে
জেলার
চাহিদা
১
লাখ
৮১
হাজার
২৬৬টি।
সে
হিসাবে
চাহিদার
তুলনায়
৪৪
হাজার
৮৮২টি
পশু
উদ্বৃত্ত
আছে।
প্রস্তুত
করা
পশুর
মধ্যে
গরুর
সংখ্যাই
সবচেয়ে
বেশি।
জেলায়
কোরবানির
জন্য
প্রস্তুত
আছে
১
লাখ
১৫
হাজার
৯৪৭টি
গরু।
এ
ছাড়া
আছে
১
লাখ
৩
হাজার
৯৬৬টি
ছাগল,
৫
হাজার
৩৪৪টি
ভেড়া
ও
৮৮৬টি
মহিষ।
এডমিন 












