স্থানভেদে জমির প্রকৃত দাম নির্ধারণ হলেই কালো টাকা সাদা হওয়ার আর সুযোগ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, জমির মৌজা রেটে সত্যিকারের ভ্যালু থেকে কম দেখানো হয়। মৌজা রেট রিভিউ করে রিয়াল ভ্যালুতে নিয়ে আসবো। তাহলে কালো টাকা সাদা হবে না। ধানের জমির এক মূল্য, বাড়ির জমির একটা মূল্য। কিন্তু জমি বেচাকেনার ক্ষেত্রে প্রকৃত দামের থেকে অনেক কম দাম দেখিয়ে নিবন্ধন করা হয়।
শুক্রবার (১২ জুন) নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কর্মংস্থান প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটের অন্যতম উদ্দেশ্য কর্মসংস্থান। দেখবেন মধ্যপ্রাচ্যে যারা যায় তারা অদক্ষ। যে কারণে তাদের বেতনও কম। আমরা দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তবে সেই জায়গায় আমরা পৌঁছাতে পারিনি। ফলে বাজেটে বড় বরাদ্দ সামাজিক কর্মসূচিতে, যাতে করে তারা কোনো রকম চলতে পারে। এই জন্য বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড , স্বাস্থ্য কার্ড ইত্যাদিতে বড় বরাদ্দ রেখেছি।
তিনি বলেন, আমরা সবাইকে প্রস্তুত করছি যাতে করে যোগ্যরা ভালো চাকরি করতে পারেন। আগামী দিনে যাতে আয় বাড়ে সে জন্য আমরা বিনিয়োগ করছি। শিক্ষিত নাগরিকরা সব থেকে বেশি বেকার। এজন্য আমরা সবাইকে দক্ষ করতে চাই। আশা করি যারা হতদরিদ্র, নিম্নমানের শ্রমিক তাদের দক্ষ করতে হবে। আমরা বিশাল প্রকল্পে যাচ্ছি না, কিন্তু কৃষক-কুমারদের উন্নয়ন করতে চাই। কারণ, এরা সব সময় অর্থনীতির বাইরে ছিলেন। এজন্য আমরা ক্রিয়েটিভ ইকোনমির দিকে যাচ্ছি। সবাইকে অর্থনীতির মূল ধারায় আনতে চাই। সব মানুষের জন্য বাজেট করেছি। যাতে করে দেশের সব মানুষ অর্থনীতির মূল ধারায় আসে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, আমরা যে প্রকল্পগুলো নিচ্ছি সেখানে ভ্যালু কত, বিনিয়োগের ওপর রিটার্ন কত আসবে, প্রকল্পে কর্মসংস্থান কতটুকু হবে— সেই বিষয়গুলো দেখা হচ্ছে। অর্থনীতি দুই বছর খারাপ যাবে। তবে দেশের অর্থনীতি তৃতীয়-চতুর্থ অর্থবছরে ঘুরে দাঁড়াবে। আপনারা অপেক্ষা করুন, আমরা বাজেটে সবাইকে অ্যাড্রেস করার চেষ্টা করেছি।
এমওএস/কেএসআর
এডমিন 















