পর্তুগালের বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১–১ গোলের হতাশায়। আর সেই ড্রয়ের পর সমালোচনার বেশির ভাগটাই ধেয়ে গেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দিকে। ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড আক্রমণভাগে ধার হারিয়ে ফেলেছেন বলে পর্তুগাল ক্ষতিগ্রস্ত কি না, উঠেছে এমন প্রশ্ন।
এমন পরিস্থিতিতে রোনালদোর পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর সতীর্থ ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও। ২৩ বছর বয়সী পর্তুগিজ উইঙ্গারের দাবি, মাঠে কেউই রোনালদোকে বল দেওয়ার জন্য আলাদা কোনো চাপ অনুভব করেন না।
উজবেকিস্তানের বিপক্ষে মঙ্গলবারের ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কনসেইসাও বলেন, ‘আমরা তাকে বল দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করি না। আমি বল দিই তাকে, যাকে আমার কাছে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে এবং ফাঁকা মনে হয়।’
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রোনালদো ছিলেন অনেকটাই নিষ্প্রভ। পুরো ৯০ মিনিটে তিনি মাত্র ২৫ বার বল ছুঁয়েছেন, যা পর্তুগালের জার্সিতে কোনো বড় টুর্নামেন্টে পূর্ণ ম্যাচ খেলার ক্ষেত্রে তাঁর সবচেয়ে কম। একই সময়ে লিওনেল মেসি আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে ৩–০ গোলের জয় এনে দেওয়ায় দুজনকে ঘিরে তুলনাও শুরু হয়েছে নতুন করে।
তবে কনসেইসাওর মতে, রোনালদোকে ঘিরে দলের ভেতরের বাস্তবতা বাইরের আলোচনার মতো নয়। তাঁর ভাষায়, রোনালদো দলের আর দশজনের মতোই একজন সদস্য, যিনি দলকে সাহায্য করতে এসেছেন, ‘দলের জন্য সব খেলোয়াড়কেই প্রয়োজন। ক্রিস্টিয়ানো তাঁর ক্যারিয়ার, ৪১ বছর বয়সেও তাঁর ক্ষুধা, নেতৃত্ব এবং গোল করার ক্ষমতার জন্য উদাহরণ। গোল করার ক্ষেত্রে তাঁর মতো আর কেউ নেই। তিনি এখানে অন্য সবার মতোই দলকে সাহায্য করতে এসেছেন।’
প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট হারানো পর্তুগাল আগামীকাল হিউস্টনে খেলবে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে। এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলা উজবেকরা প্রথম ম্যাচে কলম্বিয়ার কাছে ৩–১ গোলে হেরেছে।
এডমিন 









