সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় এক হাত বাঁধা অবস্থায় নৌকা থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়েছেন চুরির অভিযোগে আটক এক ব্যক্তি। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের শেখেরগাঁও গ্রামের সামনে বরইয়া নদীতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে নেওয়া হচ্ছিল।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রনি দাস (৩০)। তিনি উপজেলার সানবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা।
উপজেলার সানবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা পল্লিচিকিৎসক অখিল তালুকদার (৬৫) দাবি করেন, রনি দাস এলাকায় গরু, স্বর্ণালংকার, মুঠোফোনসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অভিযোগ আছে। রনি মাদকাসক্ত এবং তাঁকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা উচিত।
জয়শ্রী ইউনিয়নের বানারসীপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য শুক্কুর আলী বলেন, রনি দাসের কোনো স্থায়ী পেশা নেই। তিনি চুরি ও মাদকসেবনের সঙ্গে জড়িত। গত বৃহস্পতিবার রাতে পাশের একটি গ্রাম থেকে স্মার্টফোন চুরির পর সেটি বিক্রির চেষ্টা করেন রনি। পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পারেন। একপর্যায়ে গতকাল বেলা তিনটার দিকে রনিকে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
শুক্কুর আলীর ভাষ্য, গতকাল আটকের পর রনিকে তাঁর বাড়ির সামনে একটি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে এক হাতে রশি বাঁধা অবস্থায় তাঁকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে ধর্মপাশা থানার উদ্দেশে রওনা হন স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা। রাত আটটার দিকে নৌকাটি শেখেরগাঁও গ্রামের সামনে বরইয়া নদীতে পৌঁছালে রনি ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে পালিয়ে যান। বিষয়টি ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানানো হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার দাবি, এ ঘটনার পর গা ঢাকা দিয়েছেন রনি দাস।
ঘটনাটি শুনেছেন জানিয়ে ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ শহীদ উল্ল্যা বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।
এডমিন 









