০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালেমা খচিত পতাকা উত্তোলন জায়েজ, তবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • 5

‘ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে কালেমা খচিত পতাকা তৈরি ও উত্তোলন জায়েজ, তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এসব পতাকার ব্যাপক ব্যবহার এবং তরুণদের হাতে হাতে বহনের ফলে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও নেতিবাচক প্রচারণার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।’

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ওলামায়ে কেরামের মতবিনিময় সভার ঘোষণাপত্রে এ কথা জানানো হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে এ ঘোষণাপত্র গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে এ বিষয়ে ওলামায়ে কেরামদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা, হিজরি নববর্ষ উদযাপন এবং সাম্প্রতিক কয়েকটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষাপটে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, শহর ও অঞ্চলে গণহারে পবিত্র কালেমা খচিত পতাকা প্রদর্শনের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।’

‘পবিত্র কালেমা আমাদের ঈমানের মূল ভিত্তি। এর প্রতি প্রতিটি মুসলমানের গভীর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সম্মান রয়েছে। তবে বর্তমান আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় কালেমা লিখিত নির্দিষ্ট ধরনের কালো পতাকা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের ব্যবহৃত প্রতীকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় কিছু মহলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে।’

আরও পড়ুন

ডা. জাহেদ / কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা খতিয়ে দেখছে সরকার

এতে আরও বলা হয়, ‘এমনকি অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কোনো গোষ্ঠী এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কালেমা খচিত পতাকার মিছিল বা সমাবেশে অনুপ্রবেশ করে পরিস্থিতিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চালাতে পারে। এতে ইসলাম, মুসলিম সমাজ এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ায় দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বিভিন্ন ধরনের উদ্বেগ ও নেতিবাচক ব্যাখ্যার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দেশের সর্বজনস্বীকৃত ওলামায়ে কেরাম, ইসলামি দলগুলোর নেতা, রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত মহলে এ বিষয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে ঘোষণাপত্রে জানানো হয়।

ওলামায়ে কেরাম জানায়, ‘হাদিস ও সিরাতগ্রন্থে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং সাহাবায়ে কেরামের যুগে সাদা, কালো কিংবা কালেমা-সংবলিত পতাকার ব্যবহার মূলত যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ ছিল। যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে সাধারণ সভা-সমাবেশ বা মিছিলে এ ধরনের পতাকা বহনের নজির কোরআন, হাদিস বা নির্ভরযোগ্য ফিকহের কিতাবে পাওয়া যায় না।’

ঘোষণাপত্রে ওলামায়ে কেরাম আরও জানান, ‘ইসলামি শরিয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো—সমাজে ফিতনা বা বড় ধরনের বিভ্রান্তির আশঙ্কা দেখা দিলে অনেক বৈধ (জায়েজ) কাজও সাময়িকভাবে পরিহার করা উচিত। এ প্রসঙ্গে হযরত আয়েশা (রা.)-কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যদি মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির আশঙ্কা না থাকত, তবে তিনি কাবা শরিফকে হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর ভিত্তির ওপর, অর্থাৎ হাতিমসহ পুনর্নির্মাণ করতেন। অর্থাৎ বৈধ হওয়া সত্ত্বেও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির আশঙ্কায় তিনি সেই কাজ থেকে বিরত ছিলেন।’

‘গণহারে ব্যবহৃত কালেমা খচিত পতাকা কর্মসূচি শেষে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা, ছিঁড়ে যাওয়া বা পদদলিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে জানিয়ে ঘোষণাপত্রে বলা হয়, পবিত্র কালেমার এমন অবমাননার সম্ভাবনার কারণে অনেক মুসলিম স্কলার পতাকায় কালেমা লিখে গণহারে ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করেছেন। খেলাধুলা বা অন্যান্য সাধারণ কর্মসূচিতে ব্যাপকভাবে কালেমা খচিত পতাকার ব্যবহার অনিচ্ছাকৃতভাবে এর পবিত্র মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে পারে।’

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা / দেশে জঙ্গি আছে, সরকার এটাকে শূন্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে

এতে আরও বলা হয়, ‘বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের জাতীয় পতাকা যত্রতত্র পড়ে থাকলেও তা ধর্মীয় অবমাননার শামিল নয়; কিন্তু পবিত্র কালেমা সংবলিত পতাকা যদি অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকে, ময়লা-আবর্জনায় নিক্ষিপ্ত হয় বা পদদলিত হয়, তবে তা শুধু গুনাহের বিষয়ই নয়, বরং বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীর আঘাত হানবে।’

এ প্রেক্ষাপটে দেশের জমহুর ওলামায়ে কেরাম, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পবিত্র কালেমার মর্যাদা রক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট এই স্পর্শকাতর বিষয়টির যথাযথ সমাধান সম্ভব। এ বিষয়ে মসজিদের ইমাম, খতিব, আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় নেতাদের জনগণের মধ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয় ঘোষণাপত্রে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ওলামায়ে কেরামের মধ্যে ছিলেন- মাওলানা আবদুল হামিদ (পীর সাহেব, মধুপুর), মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, অধ্যক্ষ মাওলানা মিজানুর রহমান (পীর সাহেব, দেওনা দরবার), মুফতি মাহফুজুল হক (মহাসচিব, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া), মুফতি মনির হুসাইন কাসেমী, মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, মুফতি মোহাম্মদ আলী (মুহতামিম, আফতাবনগর মাদ্রাসা), মুফতি হারুন এজহার (মুহতামিম, লালখান বাজার মাদ্রাসা), মাওলানা কাজী আবু হোরায়রা (সভাপতি, জাতীয় ইমাম সমিতি), মাওলানা শরীফ উল্লাহ, মাওলানা মাহমুদ হাসান গুনভী, মাওলানা আজহারুল ইসলাম, মাওলানা মহিউদ্দিন একরাম, মাওলানা এজহারুল হক, মাওলানা ড. মুশতাক আহমদ, মাওলানা ড. ওয়ালীয়ুর রহমান খান, মাওলানা মীর ইদরিস, মুফতি মো. আবদুল্লাহ, মাওলানা আনিসুজ্জামান সিকদার, মাওলানা জাকির হোসেন খান, মাওলানা আহমদ রফিক, মাওলানা মহিউদ্দিন এবং মাওলানা ছানাউল্লাহ আজহারী।

আরএমএম/ইএ

ট্যাগঃ

বান্দরবানে কুকি-চিন ও ইউপিডিএফের গোপন আস্তানায় অভিযান চলছে

কালেমা খচিত পতাকা উত্তোলন জায়েজ, তবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

‘ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে কালেমা খচিত পতাকা তৈরি ও উত্তোলন জায়েজ, তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এসব পতাকার ব্যাপক ব্যবহার এবং তরুণদের হাতে হাতে বহনের ফলে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও নেতিবাচক প্রচারণার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।’

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ওলামায়ে কেরামের মতবিনিময় সভার ঘোষণাপত্রে এ কথা জানানো হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে এ ঘোষণাপত্র গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে এ বিষয়ে ওলামায়ে কেরামদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা, হিজরি নববর্ষ উদযাপন এবং সাম্প্রতিক কয়েকটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষাপটে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, শহর ও অঞ্চলে গণহারে পবিত্র কালেমা খচিত পতাকা প্রদর্শনের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।’

‘পবিত্র কালেমা আমাদের ঈমানের মূল ভিত্তি। এর প্রতি প্রতিটি মুসলমানের গভীর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সম্মান রয়েছে। তবে বর্তমান আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় কালেমা লিখিত নির্দিষ্ট ধরনের কালো পতাকা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের ব্যবহৃত প্রতীকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় কিছু মহলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে।’

আরও পড়ুন

ডা. জাহেদ / কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা খতিয়ে দেখছে সরকার

এতে আরও বলা হয়, ‘এমনকি অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কোনো গোষ্ঠী এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কালেমা খচিত পতাকার মিছিল বা সমাবেশে অনুপ্রবেশ করে পরিস্থিতিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চালাতে পারে। এতে ইসলাম, মুসলিম সমাজ এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ায় দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বিভিন্ন ধরনের উদ্বেগ ও নেতিবাচক ব্যাখ্যার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দেশের সর্বজনস্বীকৃত ওলামায়ে কেরাম, ইসলামি দলগুলোর নেতা, রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত মহলে এ বিষয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে ঘোষণাপত্রে জানানো হয়।

ওলামায়ে কেরাম জানায়, ‘হাদিস ও সিরাতগ্রন্থে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং সাহাবায়ে কেরামের যুগে সাদা, কালো কিংবা কালেমা-সংবলিত পতাকার ব্যবহার মূলত যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ ছিল। যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে সাধারণ সভা-সমাবেশ বা মিছিলে এ ধরনের পতাকা বহনের নজির কোরআন, হাদিস বা নির্ভরযোগ্য ফিকহের কিতাবে পাওয়া যায় না।’

ঘোষণাপত্রে ওলামায়ে কেরাম আরও জানান, ‘ইসলামি শরিয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো—সমাজে ফিতনা বা বড় ধরনের বিভ্রান্তির আশঙ্কা দেখা দিলে অনেক বৈধ (জায়েজ) কাজও সাময়িকভাবে পরিহার করা উচিত। এ প্রসঙ্গে হযরত আয়েশা (রা.)-কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যদি মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির আশঙ্কা না থাকত, তবে তিনি কাবা শরিফকে হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর ভিত্তির ওপর, অর্থাৎ হাতিমসহ পুনর্নির্মাণ করতেন। অর্থাৎ বৈধ হওয়া সত্ত্বেও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির আশঙ্কায় তিনি সেই কাজ থেকে বিরত ছিলেন।’

‘গণহারে ব্যবহৃত কালেমা খচিত পতাকা কর্মসূচি শেষে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা, ছিঁড়ে যাওয়া বা পদদলিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে জানিয়ে ঘোষণাপত্রে বলা হয়, পবিত্র কালেমার এমন অবমাননার সম্ভাবনার কারণে অনেক মুসলিম স্কলার পতাকায় কালেমা লিখে গণহারে ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করেছেন। খেলাধুলা বা অন্যান্য সাধারণ কর্মসূচিতে ব্যাপকভাবে কালেমা খচিত পতাকার ব্যবহার অনিচ্ছাকৃতভাবে এর পবিত্র মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে পারে।’

আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা / দেশে জঙ্গি আছে, সরকার এটাকে শূন্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে

এতে আরও বলা হয়, ‘বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের জাতীয় পতাকা যত্রতত্র পড়ে থাকলেও তা ধর্মীয় অবমাননার শামিল নয়; কিন্তু পবিত্র কালেমা সংবলিত পতাকা যদি অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকে, ময়লা-আবর্জনায় নিক্ষিপ্ত হয় বা পদদলিত হয়, তবে তা শুধু গুনাহের বিষয়ই নয়, বরং বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীর আঘাত হানবে।’

এ প্রেক্ষাপটে দেশের জমহুর ওলামায়ে কেরাম, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পবিত্র কালেমার মর্যাদা রক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট এই স্পর্শকাতর বিষয়টির যথাযথ সমাধান সম্ভব। এ বিষয়ে মসজিদের ইমাম, খতিব, আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় নেতাদের জনগণের মধ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয় ঘোষণাপত্রে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ওলামায়ে কেরামের মধ্যে ছিলেন- মাওলানা আবদুল হামিদ (পীর সাহেব, মধুপুর), মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, অধ্যক্ষ মাওলানা মিজানুর রহমান (পীর সাহেব, দেওনা দরবার), মুফতি মাহফুজুল হক (মহাসচিব, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া), মুফতি মনির হুসাইন কাসেমী, মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, মুফতি মোহাম্মদ আলী (মুহতামিম, আফতাবনগর মাদ্রাসা), মুফতি হারুন এজহার (মুহতামিম, লালখান বাজার মাদ্রাসা), মাওলানা কাজী আবু হোরায়রা (সভাপতি, জাতীয় ইমাম সমিতি), মাওলানা শরীফ উল্লাহ, মাওলানা মাহমুদ হাসান গুনভী, মাওলানা আজহারুল ইসলাম, মাওলানা মহিউদ্দিন একরাম, মাওলানা এজহারুল হক, মাওলানা ড. মুশতাক আহমদ, মাওলানা ড. ওয়ালীয়ুর রহমান খান, মাওলানা মীর ইদরিস, মুফতি মো. আবদুল্লাহ, মাওলানা আনিসুজ্জামান সিকদার, মাওলানা জাকির হোসেন খান, মাওলানা আহমদ রফিক, মাওলানা মহিউদ্দিন এবং মাওলানা ছানাউল্লাহ আজহারী।

আরএমএম/ইএ