কুমিল্লা
ছাড়াও
দেশের
বিভিন্ন
জেলা
থেকে
এখানে
মাছ
নিয়ে
আসেন
শৌখিন
বিক্রেতারা।
চাঁদপুর,
নোয়াখালী,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া,
ফেনী,
যশোর,
সাতক্ষীরা,
রাজশাহীসহ
বিভিন্ন
এলাকা
থেকে
মাছ
এসেছে।
৩
থেকে
২০
কেজি
ওজনের
কাতলা
মাছ
এসেছে
মেলায়।
উৎপাদন
খরচ
বাড়ায়
দামও
গত
বছরের
তুলনায়
কিছুটা
বেড়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
আখাউড়া
থেকে
আসা
বিক্রেতা
করিম
মিয়া
প্রথম
আলোকে
বলেন,
গত
বছরের
তুলনায়
এবার
মাছ
কম
এসেছে।
তেলসংকটের
কারণে
এবার
দূরের
অনেক
ব্যবসায়ী
মাছ
নিয়ে
আসেননি।
তবে
সকাল
থেকেই
বেচাকেনা
জমজমাট।
ভালো
লাভ
হবে
বলে
তিনি
আশা
করছেন।
সকাল
৯টা
থেকে
দুপুর
১২টা
পর্যন্ত
মেলা
ঘুরে
দেখা
গেল
গেছে,
কোথাও
পানির
মধ্যে
জীবিত
কাতলা
মাছ
রেখে
বিক্রি
হচ্ছে।
আবার
কোথাও
ডালার
মধ্যে
মাছ
লাফালাফি
করছে।
বড়
বড়
কাতলা
মাছের
সঙ্গে
বড়
আকারের
রুই,
মৃগেল
ও
কার্প
মাছ
সাজানো।
১৫
থেকে
২০
কেজি
ওজনের
কাতলা
মাছের
কেজি
সর্বোচ্চ
১
হাজার
১০০
টাকা
দরে
বিক্রি
হচ্ছে।
সর্বনিম্ন
৩
কেজি
ওজনের
কাতলা
বিক্রি
হচ্ছে
৪৫০
টাকা
কেজি
দরে।
আকারভেদে
ক্রেতারা
দরদাম
নির্ধারণ
করছেন।
বড়
আকারের
রুই
মাছ
৪০০
থেকে
৭০০
টাকা
কেজি
বিক্রি
হচ্ছে।
জীবিত
মাছের
দাম
একটু
বেশি।
এডমিন 













