জবানবন্দিতে
ভুক্তভোগী
নারী
বলেন,
শিশুসন্তানের
চিকিৎসার
জন্য
তিনি
হাসপাতালে
ছিলেন।
গরমের
কারণে
তিনি
ওয়ার্ড
থেকে
বের
হয়ে
লিফটের
পাশে
দাঁড়িয়ে
ছিলেন।
হঠাৎ
হাসপাতালের
পরিচ্ছন্নতাকর্মী
অমিত
তাঁর
হাত
চেপে
ধরেন
এবং
লিফটের
মধ্যে
টেনে
নিয়ে
যান।
তাঁকে
ভবনের
ছাদে
নিয়ে
যাওয়া
হয়।
তখন
তিনি
চিৎকার–চেঁচামেচি
করেন,
কিন্তু
কেউ
তাঁকে
রক্ষা
করতে
এগিয়ে
আসেননি।
অমিত
তাঁকে
ধর্ষণ
করেন।
অনিল
ও
প্রাঙ্গণ
নামের
দুই
পরিচ্ছন্নতাকর্মী
মোবাইল
ফোনে
সেটি
ভিডিও
করেন।
জবানবন্দিতে
ভুক্তভোগী
নারী
আরও
বলেন,
অমিতের
নির্দেশে
ওই
দুজন
চলে
যান।
তাঁরা
পরে
আবার
এসে
ভিডিও
ছড়িয়ে
দেওয়ার
ভয়
দেখিয়ে
তাঁকে
ধর্ষণ
করতে
চান।
কিন্তু
অমিত
তাঁদের
তাড়িয়ে
দেন।
ওয়ার্ডে
ফিরে
ওই
নারী
সন্তানকে
কান্নাকাটি
করতে
দেখেন।
তিনি
ধর্ষণের
ঘটনাটি
হাসপাতালে
দায়িত্বরত
আনসার
সদস্যদের
জানান।
এডমিন 












