০১:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদ-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল পুনর্বিবেচনার আহ্বান জামায়াত আমিরের

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • 2

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে জামায়াত আমির তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা বলেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ জন নবজাতকের মৃত্যু হলে আমরা সবাই এ ঘটনায় গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করি। ঘটনাটি অবশ্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

এ ঘটনা কেন্দ্র করে সরকার আজ হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে। এটি মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে কোনো অবহেলা, ত্রুটি কিংবা অপরাধ চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

তা না করে যে হাসপাতালটি ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, আজ তারই লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হলো। শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতি জনগণেরই হলো।

তাছাড়া এটি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখানে সম্ভবত ৪০০-৫০০ মেডিকেল শিক্ষার্থী লেখাপড়া করেন। এর পাশাপাশি নার্সিং কোর্সও চালু রয়েছে। এখন তারা যাবেন কোথায়?

শিক্ষার্থী ও জনগণের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত। কারও কোনো দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া কাম্য নয়।

আরএএস/এমআইএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

বিনিয়োগ আকর্ষণে ব্যবসা সেবা ৭ দিনে দেওয়ার ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

আদ-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল পুনর্বিবেচনার আহ্বান জামায়াত আমিরের

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে জামায়াত আমির তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা বলেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ জন নবজাতকের মৃত্যু হলে আমরা সবাই এ ঘটনায় গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করি। ঘটনাটি অবশ্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

এ ঘটনা কেন্দ্র করে সরকার আজ হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে। এটি মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে কোনো অবহেলা, ত্রুটি কিংবা অপরাধ চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

তা না করে যে হাসপাতালটি ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, আজ তারই লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হলো। শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতি জনগণেরই হলো।

তাছাড়া এটি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখানে সম্ভবত ৪০০-৫০০ মেডিকেল শিক্ষার্থী লেখাপড়া করেন। এর পাশাপাশি নার্সিং কোর্সও চালু রয়েছে। এখন তারা যাবেন কোথায়?

শিক্ষার্থী ও জনগণের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত। কারও কোনো দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া কাম্য নয়।

আরএএস/এমআইএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।