০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইতিহাস গড়া গোলে পর্তুগালের সঙ্গে প্রথমার্ধে সমতা কঙ্গোর

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • 1

প্রথমার্ধে প্রায় আশিভাগ সময় বল দখলে রেখেছে পর্তুগাল। গোলও তারা প্রথমে করে। কিন্তু সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এসে গোলটি শোধ করে দিয়েছে ডিআর কঙ্গো। অর্থাৎ ম্যাচ এখন ১-১ সমতা।

ম্যাচ শুরু হতে না হতেই স্কোরের খাতা খুলে ফেলে পর্তুগাল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সম্ভাব্য বিদায়ী টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ৫ মিনিট যেতেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় দলটি।

ডান প্রান্তে একটি ক্রস-ফিল্ড পাস পেয়ে ফুল-ব্যাক হোয়াও ক্যানসালো নিচু করে বক্সের সামনে বিপজ্জনক বল পাঠান। ডিআর কঙ্গো সেটি আংশিকভাবে ক্লিয়ার করতে সক্ষম হলেও বলটি আবার ফিরে আসে।

বাম দিক থেকে পেদ্রো নিখুঁত একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন। আর অবিশ্বাস্যভাবে মাঝখানে উঠে এসে জোয়াও নেভেস লুপিং হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন! বল গোলপোস্টের ওপরের ডান কোণে গিয়ে ঢুকে পড়ে (১-০)।

পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচে সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবে মাত্র ২১ বছর ২৬৩ দিন বয়সে শুরু করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ইতোমধ্যেই রেকর্ড গড়েছিলেন জোয়াও নেভেস। এবার তিনি বিশ্বকাপে পর্তুগালের তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও হয়ে গেলেন। তার আগে রয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (২০০৬ সালে, ২১ বছর ১৩২ দিন) এবং গনসালো রামোস (২০২২ সালে, ২১ বছর ১৬৯ দিন)।

ডিআর কঙ্গো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই জবাব দিয়ে ফেলেছিল! ইয়োনে ভিসার বাঁ পায়ের শট পর্তুগাল রক্ষণের ভিড়ের ফাঁক দিয়ে অল্পের জন্য ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়!

৩০ মিনিটে হোয়াও ক্যানসালো ডিআর কঙ্গোর পেনাল্টি বক্সের ভেতর দিয়ে নিচু মাপা এক পাস পাঠান। সেই বল ধরতে তির্যকভাবে দৌড় দেন রোনালদো, বক্সে অল্পের জন্য বলের নাগাল পাননি। পেলে বিপদ হতে পারতো কঙ্গোর।

তিন মিনিট পর পর্তুগালের একটি ফ্রি-কিক থেকে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে ডিআর কঙ্গো। এদো কায়েমবে চমৎকারভাবে রেনাতো ভেইগার চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে শট নেওয়ার জন্য জায়গা তৈরি করেন।

কায়েমের নেওয়া শটটি পথে থমাস আরোহোর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলের দিকে ছুটে যায়। বল গোলের ওপরের ডান কোণে ঢুকে পড়া থেকে রুখে দেন পর্তুগালের গোলরক্ষক কস্তা।

প্রথমার্ধ প্রায় শেষ হওয়ার পথে। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটের খেলা চলছিল। এমন সময়ে চমক দেখায় কঙ্গো। কর্নার পেলে সেটি ছোট পাসে নেন এমগালার্য়েল মুকাও আর আর্থার মাসুয়াকু। এরপর মাসুয়াকু বক্সের মধ্যে দারুণ একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন।

লাল জার্সিধারী পর্তুগিজ ডিফেন্ডারদের ভিড়ের মাঝেও সবচেয়ে উঁচুতে লাফিয়ে ওঠেন ইয়নে ভিসা। তিনি সম্পূর্ণ ফাঁকা হেডে কাছ থেকে বলটি জোরে পাঠিয়ে দেন গোলের ওপরের বাঁ কোণে! এটি ডিআর কঙ্গোর ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ গোল।

এমএমআর

 

 

 

 

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ইতিহাস গড়া গোলে পর্তুগালের সঙ্গে প্রথমার্ধে সমতা কঙ্গোর

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

প্রথমার্ধে প্রায় আশিভাগ সময় বল দখলে রেখেছে পর্তুগাল। গোলও তারা প্রথমে করে। কিন্তু সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এসে গোলটি শোধ করে দিয়েছে ডিআর কঙ্গো। অর্থাৎ ম্যাচ এখন ১-১ সমতা।

ম্যাচ শুরু হতে না হতেই স্কোরের খাতা খুলে ফেলে পর্তুগাল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সম্ভাব্য বিদায়ী টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ৫ মিনিট যেতেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় দলটি।

ডান প্রান্তে একটি ক্রস-ফিল্ড পাস পেয়ে ফুল-ব্যাক হোয়াও ক্যানসালো নিচু করে বক্সের সামনে বিপজ্জনক বল পাঠান। ডিআর কঙ্গো সেটি আংশিকভাবে ক্লিয়ার করতে সক্ষম হলেও বলটি আবার ফিরে আসে।

বাম দিক থেকে পেদ্রো নিখুঁত একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন। আর অবিশ্বাস্যভাবে মাঝখানে উঠে এসে জোয়াও নেভেস লুপিং হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন! বল গোলপোস্টের ওপরের ডান কোণে গিয়ে ঢুকে পড়ে (১-০)।

পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচে সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবে মাত্র ২১ বছর ২৬৩ দিন বয়সে শুরু করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ইতোমধ্যেই রেকর্ড গড়েছিলেন জোয়াও নেভেস। এবার তিনি বিশ্বকাপে পর্তুগালের তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও হয়ে গেলেন। তার আগে রয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (২০০৬ সালে, ২১ বছর ১৩২ দিন) এবং গনসালো রামোস (২০২২ সালে, ২১ বছর ১৬৯ দিন)।

ডিআর কঙ্গো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই জবাব দিয়ে ফেলেছিল! ইয়োনে ভিসার বাঁ পায়ের শট পর্তুগাল রক্ষণের ভিড়ের ফাঁক দিয়ে অল্পের জন্য ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়!

৩০ মিনিটে হোয়াও ক্যানসালো ডিআর কঙ্গোর পেনাল্টি বক্সের ভেতর দিয়ে নিচু মাপা এক পাস পাঠান। সেই বল ধরতে তির্যকভাবে দৌড় দেন রোনালদো, বক্সে অল্পের জন্য বলের নাগাল পাননি। পেলে বিপদ হতে পারতো কঙ্গোর।

তিন মিনিট পর পর্তুগালের একটি ফ্রি-কিক থেকে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে ডিআর কঙ্গো। এদো কায়েমবে চমৎকারভাবে রেনাতো ভেইগার চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে শট নেওয়ার জন্য জায়গা তৈরি করেন।

কায়েমের নেওয়া শটটি পথে থমাস আরোহোর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলের দিকে ছুটে যায়। বল গোলের ওপরের ডান কোণে ঢুকে পড়া থেকে রুখে দেন পর্তুগালের গোলরক্ষক কস্তা।

প্রথমার্ধ প্রায় শেষ হওয়ার পথে। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটের খেলা চলছিল। এমন সময়ে চমক দেখায় কঙ্গো। কর্নার পেলে সেটি ছোট পাসে নেন এমগালার্য়েল মুকাও আর আর্থার মাসুয়াকু। এরপর মাসুয়াকু বক্সের মধ্যে দারুণ একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন।

লাল জার্সিধারী পর্তুগিজ ডিফেন্ডারদের ভিড়ের মাঝেও সবচেয়ে উঁচুতে লাফিয়ে ওঠেন ইয়নে ভিসা। তিনি সম্পূর্ণ ফাঁকা হেডে কাছ থেকে বলটি জোরে পাঠিয়ে দেন গোলের ওপরের বাঁ কোণে! এটি ডিআর কঙ্গোর ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ গোল।

এমএমআর