খুলনার বাজারে কমছেই না সবজির দাম। মুরগির পর এবার গরুর মাংসের দাম কেজিতে ৩০-৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) খুলনার রুপসা বাজার, মিস্ত্রিপাড়া বাজার ও বয়রা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৫০ টাকা, সজনে ৮০ টাকা কেজি, লাউ ৪০-৫০ টাকা প্রতি পিস, কুমড়া ৪০ টাকা কেজি, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ৭০-৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা কেজি, শসা ৬০ টাকা কেজি, পটল ৮০ টাকা কেজি, কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে পেঁয়াজ ২৫-৩০ টাকা দরে এবং রসুন ৭০-১০০ টাকা কেজি দরে এবং আলু ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারে, ব্রয়লার মুরগি ২০০-২১০ টাকা কেজি দরে, সোনালি ৩৩০-৩৫০ টাকা কেজি দরে ও লেয়ার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম ৭৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৮০০ টাকা আর খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
মাছের বাজারে, রুই আকারভেদে ২২০-২৫০ টাকা, ভেটকি মাছ আকারভেদে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৫০০-৮০০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, তেলাপিয়া ১৫০-১৮০ টাকা, পাবদা ৩০০-৩৫০ টাকা দরে, পাঙাশ ১৬০-১৮০ টাকা, কাতল ২৪০-২৫০ টাকা কেজি এবং ছোট মাছ ৩০০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
নতুন বাজারের সবজি ব্যবসায়ী জাকির বলেন, গরমের শাক-সবজি উঠতে শুরু করছে। অনেক সবজির দাম কমেছে। পাইকার বাজারে সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পেলেই খুচরা বাজারে দাম আরো কমে যাবে।

গরুর মাংস বিক্রেতা আসলাম শেখ বলেন, মাংস বিক্রি করে লাভ করা কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেক ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়েছে। পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। পাশাপাশি ক্রেতাও কম বলে তিনি জানান।
মুরগির বাজারের বিক্রেতা কবির শেখ বলেন, পাইকারি ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছে। খাবারের দাম আর পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় মূলত মুরগির দাম বেড়েছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকলে দাম কমে যেত।
নতুন বাজারে আসা ক্রেতা আখতার হোসেন বলেন, পেঁয়াজ, রসুনের দাম কম। কিন্তু মুরগি, গরুর মাংস আর অনেক সবজির দাম বেড়েছে। সবকিছুর দাম একই ধাচে নেই। একদিকে কম থাকলে অন্যদিকে খরচ হয়ে যাচ্ছে।
মিস্ত্রিপাড়া বাজারে আসা ছাব্বির হোসেন বলেন, মাছের দাম বেড়েছে। গরুর মাংসের অতিরিক্ত দাম বলে ক্রয় করা হয় না। মুরগির মাংসের দাম বাড়লেও কমার নাম নাই। বাজার মনিটরিং করে সবকিছুর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নইলে সিন্ডিকেট করে ক্রেতাদের অসাধু ব্যবসায়ীরা জিম্মি করে ফেলবে।
আরিফুর রহমান/এমএন/জেআইএম
এডমিন 











