০৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাস-লঞ্চে একচেটিয়া ভাড়া বাড়ালে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • 2

আন্তর্জাতিক ক্রেতা-ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করে বাস ও লঞ্চে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধি করলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। 
 
বুধবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এমন হুঁশিয়ারি প্রদান করে। 
 
মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের মূল্য একলাফে ৩৪ টাকা বৃদ্ধি করে ১১৪ টাকা করায় তখন বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪০ পয়সা বা ২২ শতাংশ ও লঞ্চভাড়া ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। সেই বর্ধিত ১১৪ টাকা লিটারের ডিজেলের মূল্য কয়েক দফায় কমতে কমতে ১০০ টাকা এলে সরকার তিন দফায় ৮ পয়সা বাসভাড়া কমায়, লঞ্চেও অনুরূপ ভাড়া কাগজেপত্রে কমানো হয়। কোনো বাসে ও লঞ্চে কমানো ভাড়ার সুবিধা পায়নি দেশের যাত্রী সাধারণ। এই কমানো ভাড়ার সুফল যাত্রীরা পাচ্ছে কি না সরকার কোনো তদারকি করেনি।

তিনি বলেন, এবার ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয় অর্থাৎ ১ টাকা বাড়ানোর কারণে বাসমালিকেরা ৬৪ শতাংশ ও লঞ্চভাড়া ৪২ শতাংশ বাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছে স্ব-স্ব মালিক সমিতি। এসব যৌক্তিক বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য তুলে ধরার কারণে বারবার যাত্রী কল্যাণ সমিতিকে বাদ দিয়ে বাস ও লঞ্চের মালিক সমিতি স্বৈরাচার সরকারের ন্যায় একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে। সরকারের কিছু আমলা সাময়িক লাভবান হয়ে যাত্রীপ্রতিনিধি বাদ রেখে বাস ও লঞ্চমালিকদের এমন অযৌক্তিক ভাড়া সমন্বয়ের নামে ভাড়া বাড়িয়ে দিতে মরিয়া উঠেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।  

এমএমএ/ইএ

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

মরদেহ চুরির আশঙ্কায় রাত জেগে ছেলের কবর পাহারা দিচ্ছেন বাবা

বাস-লঞ্চে একচেটিয়া ভাড়া বাড়ালে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক ক্রেতা-ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করে বাস ও লঞ্চে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধি করলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। 
 
বুধবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এমন হুঁশিয়ারি প্রদান করে। 
 
মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের মূল্য একলাফে ৩৪ টাকা বৃদ্ধি করে ১১৪ টাকা করায় তখন বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪০ পয়সা বা ২২ শতাংশ ও লঞ্চভাড়া ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। সেই বর্ধিত ১১৪ টাকা লিটারের ডিজেলের মূল্য কয়েক দফায় কমতে কমতে ১০০ টাকা এলে সরকার তিন দফায় ৮ পয়সা বাসভাড়া কমায়, লঞ্চেও অনুরূপ ভাড়া কাগজেপত্রে কমানো হয়। কোনো বাসে ও লঞ্চে কমানো ভাড়ার সুবিধা পায়নি দেশের যাত্রী সাধারণ। এই কমানো ভাড়ার সুফল যাত্রীরা পাচ্ছে কি না সরকার কোনো তদারকি করেনি।

তিনি বলেন, এবার ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয় অর্থাৎ ১ টাকা বাড়ানোর কারণে বাসমালিকেরা ৬৪ শতাংশ ও লঞ্চভাড়া ৪২ শতাংশ বাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছে স্ব-স্ব মালিক সমিতি। এসব যৌক্তিক বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য তুলে ধরার কারণে বারবার যাত্রী কল্যাণ সমিতিকে বাদ দিয়ে বাস ও লঞ্চের মালিক সমিতি স্বৈরাচার সরকারের ন্যায় একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে। সরকারের কিছু আমলা সাময়িক লাভবান হয়ে যাত্রীপ্রতিনিধি বাদ রেখে বাস ও লঞ্চমালিকদের এমন অযৌক্তিক ভাড়া সমন্বয়ের নামে ভাড়া বাড়িয়ে দিতে মরিয়া উঠেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।  

এমএমএ/ইএ