০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪৯ মিনিটেই সৌদিকে এক হালি গোল স্পেনের

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • 2

আটলান্টায় ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করেছে স্পেন। প্রথমার্ধে সৌদি আরবের বিপক্ষে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে বিরতির আগেই ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা। বিরতির পরপরই হয়েছে আরও এক গোল। ব্যবধান এখন ৪-০।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে স্পেন ছিল সম্পূর্ণ প্রভাবশালী। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে মিকেল ওয়ারজাবাল দারুণ পাস বাড়িয়ে দেন তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে, যিনি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলটি করেন। এরপর নিজেই আরও দুটি গোল করে স্পেনকে স্বস্তিদায়ক অবস্থানে নিয়ে যান ওয়ারজাবাল।

শুধু গোলই নয়, প্রথমার্ধে তিনি ক্রসবারেও বল লাগান এবং আরও একটি ভালো সুযোগ নষ্ট করেন। তবুও স্পেনের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে অসহায় দেখিয়েছে সৌদি আরবকে।

পরিসংখ্যানও স্পেনের আধিপত্যের প্রমাণ দিচ্ছে। প্রথমার্ধে স্পেন ১৭টি শট নিয়েছে, যেখানে সৌদি আরবের শটের সংখ্যা ছিল মাত্র ২। দুই দলের শটের ব্যবধান ১৫, যা ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্স বনাম সৌদি আরব ম্যাচের পর সবচেয়ে বড় প্রথমার্ধের ব্যবধান। সেবার ফ্রান্স ১৬টি এবং সৌদি আরব কোনো শটই নিতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও একটি গোল পেয়ে ব্যবধান ৪-০ করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা।

ঘটনার শুরু পেদ্রো পোরোর একটি ক্রস থেকে। সৌদি ডিফেন্ডাররা বলটি কর্নারের জন্য ক্লিয়ার করলে বাম দিক থেকে দুর্দান্ত কর্নার নেন আলেক্স বায়েনা। কর্নার থেকে আসা বল এক সতীর্থের হালকা ছোঁয়ায় গোলমুখে পৌঁছে যায়। সেখানে কাছ থেকে ভলি শট নেন মার্ক কুকুরেয়া।

সৌদি গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল-ওয়াইস প্রথমে শটটি ঠেকাতে সক্ষম হলেও বলটি ফিরে গিয়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ডিফেন্ডার আলি আল-তামবাকতির গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে পড়ে। ফলে আত্মঘাতী গোলের মাধ্যমে স্পেন পেয়ে যায় তাদের চতুর্থ গোল।

এমএমআর

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

আ’ লীগের মতো খুনের রাজনীতি পরিহার না করলে বিএনপিকেও দেশছাড়া করবে জনগণ

৪৯ মিনিটেই সৌদিকে এক হালি গোল স্পেনের

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আটলান্টায় ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করেছে স্পেন। প্রথমার্ধে সৌদি আরবের বিপক্ষে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে বিরতির আগেই ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা। বিরতির পরপরই হয়েছে আরও এক গোল। ব্যবধান এখন ৪-০।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে স্পেন ছিল সম্পূর্ণ প্রভাবশালী। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে মিকেল ওয়ারজাবাল দারুণ পাস বাড়িয়ে দেন তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে, যিনি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলটি করেন। এরপর নিজেই আরও দুটি গোল করে স্পেনকে স্বস্তিদায়ক অবস্থানে নিয়ে যান ওয়ারজাবাল।

শুধু গোলই নয়, প্রথমার্ধে তিনি ক্রসবারেও বল লাগান এবং আরও একটি ভালো সুযোগ নষ্ট করেন। তবুও স্পেনের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে অসহায় দেখিয়েছে সৌদি আরবকে।

পরিসংখ্যানও স্পেনের আধিপত্যের প্রমাণ দিচ্ছে। প্রথমার্ধে স্পেন ১৭টি শট নিয়েছে, যেখানে সৌদি আরবের শটের সংখ্যা ছিল মাত্র ২। দুই দলের শটের ব্যবধান ১৫, যা ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্স বনাম সৌদি আরব ম্যাচের পর সবচেয়ে বড় প্রথমার্ধের ব্যবধান। সেবার ফ্রান্স ১৬টি এবং সৌদি আরব কোনো শটই নিতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও একটি গোল পেয়ে ব্যবধান ৪-০ করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা।

ঘটনার শুরু পেদ্রো পোরোর একটি ক্রস থেকে। সৌদি ডিফেন্ডাররা বলটি কর্নারের জন্য ক্লিয়ার করলে বাম দিক থেকে দুর্দান্ত কর্নার নেন আলেক্স বায়েনা। কর্নার থেকে আসা বল এক সতীর্থের হালকা ছোঁয়ায় গোলমুখে পৌঁছে যায়। সেখানে কাছ থেকে ভলি শট নেন মার্ক কুকুরেয়া।

সৌদি গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল-ওয়াইস প্রথমে শটটি ঠেকাতে সক্ষম হলেও বলটি ফিরে গিয়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ডিফেন্ডার আলি আল-তামবাকতির গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে পড়ে। ফলে আত্মঘাতী গোলের মাধ্যমে স্পেন পেয়ে যায় তাদের চতুর্থ গোল।

এমএমআর