০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেকারত্ব নিয়েও গবেষণা করেছেন তাহরিন তাহরীমা চৌধুরী

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • 6

বিআইডিএসের
তৎকালীন
মহাপরিচালক
মুস্তফা
কে
মুজেরীর
তত্ত্বাবধানে
বাংলাদেশে
বিনিয়োগ
পরিমাপ
পদ্ধতি
নিয়ে
তাঁর
আরেকটি
গুরুত্বপূর্ণ
গবেষণার
ভিত্তিতে
পদ্ধতিগত
কিছু
সংস্কার
করে
বাংলাদেশ
পরিসংখ্যান
ব্যুরো
(বিবিএস)।
পাশাপাশি
মূল্যস্ফীতি,
জ্বালানি
খাত,
দক্ষতা
ঘাটতি—বিভিন্ন
বিষয়ে
কাজ
তাঁকে
এনে
দেয়
আলাদা
স্বীকৃতি।
বিশেষ
করে
মূল্যস্ফীতি
নিয়ে
গবেষণার
মাধ্যমে
তিনি
জাতীয়
পর্যায়ে
পরিচিতি
লাভ
করেন। 

আন্তর্জাতিক
পরিসরেও
রয়েছে
তাঁর
উল্লেখযোগ্য
উপস্থিতি।
২০১২
থেকে
২০১৮
সাল
পর্যন্ত
তিনি
ইন্টারন্যাশনাল
ইনস্টিটিউট
ফর
সাসটেইনেবল
ডেভেলপমেন্টের
(আইআইএসডি)
সঙ্গে
বাংলাদেশে
জ্বালানি
খাতে
ভর্তুকি
নিয়ে
কাজ
করেছেন।
তাঁর
গবেষণাপত্র
কানাডিয়ান
ইকোনমিক
অ্যাসোসিয়েশন

ওয়েস্টার্ন
ইকোনমিক
অ্যাসোসিয়েশন
ইন্টারন্যাশনালের
মতো
আন্তর্জাতিক
সম্মেলনে
উপস্থাপিত
হয়েছে,
হয়েছে
প্রশংসিত। 

এলডিসি
থেকে
উত্তরণের
প্রস্তুতি
নিয়ে
জাতিসংঘের
সামাজিক

অর্থনৈতিক
কমিশনের
(ইউএনএসকাপ)
সঙ্গে
এককভাবে
কাজ
করেছেন।
২০২০
থেকে
২০২২
পর্যন্ত
কোভিড-১৯–এর
অর্থনৈতিক
প্রভাব
নিয়েও
তাঁর
একাধিক
গবেষণা
আন্তর্জাতিক
জার্নালে
প্রকাশিত
হয়।
এসব
কাজ
তিনি
আমেরিকান
ইকোনমিক
অ্যাসোসিয়েশনের
সম্মেলনেও
উপস্থাপন
করেন। 

রাশিয়া-ইউক্রেন
যুদ্ধের
প্রভাব
বিশ্লেষণে
২০২৩
সালে
ইন্টারন্যাশনাল
ফুড
পলিসি
রিসার্চ
ইনস্টিটিউটের
(ইফপ্রি)
সঙ্গে
কাজ
করেছেন
তাহরিন।
বাংলাদেশের
অর্থনীতিতে
রাশিয়া-ইউক্রেন
যুদ্ধের
প্রভাব
নিয়ে
তাঁর
গবেষণাগুলো
দেশ-বিদেশে
আলোচিত
হয়েছে। 

তাঁর
এই
পথচলায়
ব্যক্তিগত
চ্যালেঞ্জও
ছিল।
উচ্চশিক্ষার
জন্য
বিদেশে
যাওয়ার
সুযোগ
থাকলেও
পারিবারিক
কারণে
সম্ভব
হয়নি।
পরে
বিয়ে,
বাবার
অসুস্থতা,
সন্তান—সব
মিলিয়ে
সেই
স্বপ্ন
আরও
পিছিয়ে
যায়।
তবু
থেমে
থাকেননি।
এখন
আবার
নতুন
করে
বিদেশে
উচ্চশিক্ষা
নেওয়ার
প্রস্তুতি
নিচ্ছেন।
তাঁর
লক্ষ্য,
বিদেশ
থেকে
পিএইচডি
করে
দেশে
ফিরে
গবেষণায়
আরও
বড়
অবদান
রাখা। 

ট্যাগঃ

ছিনতাইকারীর কবলে জাগো নিউজের সাংবাদিক, খোয়ালেন মোবাইল-টাকা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেকারত্ব নিয়েও গবেষণা করেছেন তাহরিন তাহরীমা চৌধুরী

আপডেট সময়ঃ ১২:০৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

বিআইডিএসের
তৎকালীন
মহাপরিচালক
মুস্তফা
কে
মুজেরীর
তত্ত্বাবধানে
বাংলাদেশে
বিনিয়োগ
পরিমাপ
পদ্ধতি
নিয়ে
তাঁর
আরেকটি
গুরুত্বপূর্ণ
গবেষণার
ভিত্তিতে
পদ্ধতিগত
কিছু
সংস্কার
করে
বাংলাদেশ
পরিসংখ্যান
ব্যুরো
(বিবিএস)।
পাশাপাশি
মূল্যস্ফীতি,
জ্বালানি
খাত,
দক্ষতা
ঘাটতি—বিভিন্ন
বিষয়ে
কাজ
তাঁকে
এনে
দেয়
আলাদা
স্বীকৃতি।
বিশেষ
করে
মূল্যস্ফীতি
নিয়ে
গবেষণার
মাধ্যমে
তিনি
জাতীয়
পর্যায়ে
পরিচিতি
লাভ
করেন। 

আন্তর্জাতিক
পরিসরেও
রয়েছে
তাঁর
উল্লেখযোগ্য
উপস্থিতি।
২০১২
থেকে
২০১৮
সাল
পর্যন্ত
তিনি
ইন্টারন্যাশনাল
ইনস্টিটিউট
ফর
সাসটেইনেবল
ডেভেলপমেন্টের
(আইআইএসডি)
সঙ্গে
বাংলাদেশে
জ্বালানি
খাতে
ভর্তুকি
নিয়ে
কাজ
করেছেন।
তাঁর
গবেষণাপত্র
কানাডিয়ান
ইকোনমিক
অ্যাসোসিয়েশন

ওয়েস্টার্ন
ইকোনমিক
অ্যাসোসিয়েশন
ইন্টারন্যাশনালের
মতো
আন্তর্জাতিক
সম্মেলনে
উপস্থাপিত
হয়েছে,
হয়েছে
প্রশংসিত। 

এলডিসি
থেকে
উত্তরণের
প্রস্তুতি
নিয়ে
জাতিসংঘের
সামাজিক

অর্থনৈতিক
কমিশনের
(ইউএনএসকাপ)
সঙ্গে
এককভাবে
কাজ
করেছেন।
২০২০
থেকে
২০২২
পর্যন্ত
কোভিড-১৯–এর
অর্থনৈতিক
প্রভাব
নিয়েও
তাঁর
একাধিক
গবেষণা
আন্তর্জাতিক
জার্নালে
প্রকাশিত
হয়।
এসব
কাজ
তিনি
আমেরিকান
ইকোনমিক
অ্যাসোসিয়েশনের
সম্মেলনেও
উপস্থাপন
করেন। 

রাশিয়া-ইউক্রেন
যুদ্ধের
প্রভাব
বিশ্লেষণে
২০২৩
সালে
ইন্টারন্যাশনাল
ফুড
পলিসি
রিসার্চ
ইনস্টিটিউটের
(ইফপ্রি)
সঙ্গে
কাজ
করেছেন
তাহরিন।
বাংলাদেশের
অর্থনীতিতে
রাশিয়া-ইউক্রেন
যুদ্ধের
প্রভাব
নিয়ে
তাঁর
গবেষণাগুলো
দেশ-বিদেশে
আলোচিত
হয়েছে। 

তাঁর
এই
পথচলায়
ব্যক্তিগত
চ্যালেঞ্জও
ছিল।
উচ্চশিক্ষার
জন্য
বিদেশে
যাওয়ার
সুযোগ
থাকলেও
পারিবারিক
কারণে
সম্ভব
হয়নি।
পরে
বিয়ে,
বাবার
অসুস্থতা,
সন্তান—সব
মিলিয়ে
সেই
স্বপ্ন
আরও
পিছিয়ে
যায়।
তবু
থেমে
থাকেননি।
এখন
আবার
নতুন
করে
বিদেশে
উচ্চশিক্ষা
নেওয়ার
প্রস্তুতি
নিচ্ছেন।
তাঁর
লক্ষ্য,
বিদেশ
থেকে
পিএইচডি
করে
দেশে
ফিরে
গবেষণায়
আরও
বড়
অবদান
রাখা।