জানতে
চাইলে
নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট
নাহিদ
শেখ
বলেন,
গত
বছর
৯
এপ্রিল
চট্টগ্রাম
চিফ
জুডিশিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতে
নিহত
ব্যক্তির
স্ত্রী
মামলা
করেছেন।
এ
মামলা
তদন্তে
মরদেহ
উত্তোলন
করে
লক্ষ্মীপুর
সদর
হাসপাতালের
মর্গে
পাঠানো
হয়েছে।
ময়নাতদন্ত
শেষে
মরদেহ
আবার
দাফন
করা
হবে।
জানতে
চাইলে
শাহাদাত
হোসেনের
স্ত্রী
শেফালি
বেগম
বলেন,
‘আমার
স্বামী
ওমানপ্রবাসী
ছিলেন।
ঘটনার
প্রায়
আট
মাস
আগে
তিনি
ছুটিতে
দেশে
আসেন।
একই
এলাকার
মো.
মোহনের
সঙ্গে
তাঁর
বন্ধুত্বের
সম্পর্ক
ছিল।
ঘটনার
দিন
তাঁকে
সঙ্গে
নিয়ে
আমার
স্বামী
চট্টগ্রামের
মিরসরাইয়ে
একটি
এক্সক্যাভেটর
(খননযন্ত্র)
কিনতে
গিয়েছিলেন।
সঙ্গে
১০
লাখ
টাকাও
নিয়েছিলেন।
পরে
সেখানে
তাঁর
মৃত্যু
হয়।
এডমিন 


















