০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বস্তির রোদে প্রাণ ফিরেছে হাওরে, খলায় বেড়েছে কর্মব্যস্ততা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • 6

কৃষক
মোস্তফা
মিয়া
বলছিলেন,
তাঁর
২৮
কিয়ার
(৩০
শতকে
এক
কিয়ার)
জমির
মধ্যে
১৩
কিয়ার
কেটেছেন।
১০
কিয়ার
পানিতে
তলিয়ে
গেছে।
বাকি
পাঁচ
কিয়ার
জমির
ধান
এখনো
কাটা
হয়নি।
গত
শনিবার
কেটেছিলেন
পাঁচ
কিয়ার
জমি।
ওই
দিনই
ধান
মাড়াই
করে
খলায়
নিয়ে
আসেন।
কিন্তু
পরদিন
থেকে
ভারী
বৃষ্টি
হওয়ায়
এই
ধান
আর
শুকানো
যায়নি।
খলাতেই
পলিথিনের
চটে
চেপে
রেখেছিলেন।
আজ
খুলে
দেখেন,
অনেক
ধানে
অংকুর
গজিয়েছে।

পাশে
থাকা
ছেলে
নয়ন
মিয়া
(১৮)
বলছিলেন,
‘এই
ধানের
সব
কামে
আইত
না।
তবু
রইদ
ওঠায়
রক্ষা।
আমরার
লাখান
অনেক
মানুষের
ধান
খলাত
নষ্ট
অইছে।’
মোস্তফা
মিয়ার
স্ত্রী
সুফিয়া
বেগম
(৫৫)
জানান,
এভাবে
আর
তিন
থেকে
চার
দিন
রোদ
থাকলে
মানুষের
যে
ধান
খলাতে
আছে,
সব
শুকিয়ে
তোলা
যাবে।
গোবিন্দপুর
গ্রামের
আরেক
কৃষক
রোমান
মিয়া
(৪৫)
জানান,
‘জমিতে
যা
যাওয়ার
তো
গেছে।
এখন
খলাত
যে
ধান
আছে,
সেগুলো
যদি
তোলা
যায়,
তাইলেও
আমরার
জানটা
বাঁচব।’

খলায়
ছেলেকে
নিয়ে
একটি
খুপরি
বানাচ্ছিলেন
কৃষক
কবির
মিয়া
(৫০)।
কবির
মিয়া
কিছুটা
ক্ষোভ
ঝাড়েন
পানি
উন্নয়ন
বোর্ডের
(পাউবো)
ওপর।
বলেন,
এই
হাওরের
বড়
ফসল
রক্ষা
বাঁধ
হলো
উতারিয়া
এলাকায়।
হাওরে
প্রথমে
জলাবদ্ধতা
দেখা
দেওয়া
পানিনিষ্কাশনের
জন্য
বাঁধটি
স্থানীয়
লোকজন
কেটে
দেন।
কিন্তু
পরদিনই
সেটি
আবার
প্রশাসন

পাউবোর
পক্ষ
থেকে
কৃষকদের
হুমকি
দিয়ে
মাটি
দিয়ে
আটকে
দেওয়া
হয়।
এটি
শুরুতে
কিছুদিন
খোলা
থাকলে
হাওরে
ফসলের
ক্ষতি
কম
হতো।

ট্যাগঃ

স্বস্তির রোদে প্রাণ ফিরেছে হাওরে, খলায় বেড়েছে কর্মব্যস্ততা

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

কৃষক
মোস্তফা
মিয়া
বলছিলেন,
তাঁর
২৮
কিয়ার
(৩০
শতকে
এক
কিয়ার)
জমির
মধ্যে
১৩
কিয়ার
কেটেছেন।
১০
কিয়ার
পানিতে
তলিয়ে
গেছে।
বাকি
পাঁচ
কিয়ার
জমির
ধান
এখনো
কাটা
হয়নি।
গত
শনিবার
কেটেছিলেন
পাঁচ
কিয়ার
জমি।
ওই
দিনই
ধান
মাড়াই
করে
খলায়
নিয়ে
আসেন।
কিন্তু
পরদিন
থেকে
ভারী
বৃষ্টি
হওয়ায়
এই
ধান
আর
শুকানো
যায়নি।
খলাতেই
পলিথিনের
চটে
চেপে
রেখেছিলেন।
আজ
খুলে
দেখেন,
অনেক
ধানে
অংকুর
গজিয়েছে।

পাশে
থাকা
ছেলে
নয়ন
মিয়া
(১৮)
বলছিলেন,
‘এই
ধানের
সব
কামে
আইত
না।
তবু
রইদ
ওঠায়
রক্ষা।
আমরার
লাখান
অনেক
মানুষের
ধান
খলাত
নষ্ট
অইছে।’
মোস্তফা
মিয়ার
স্ত্রী
সুফিয়া
বেগম
(৫৫)
জানান,
এভাবে
আর
তিন
থেকে
চার
দিন
রোদ
থাকলে
মানুষের
যে
ধান
খলাতে
আছে,
সব
শুকিয়ে
তোলা
যাবে।
গোবিন্দপুর
গ্রামের
আরেক
কৃষক
রোমান
মিয়া
(৪৫)
জানান,
‘জমিতে
যা
যাওয়ার
তো
গেছে।
এখন
খলাত
যে
ধান
আছে,
সেগুলো
যদি
তোলা
যায়,
তাইলেও
আমরার
জানটা
বাঁচব।’

খলায়
ছেলেকে
নিয়ে
একটি
খুপরি
বানাচ্ছিলেন
কৃষক
কবির
মিয়া
(৫০)।
কবির
মিয়া
কিছুটা
ক্ষোভ
ঝাড়েন
পানি
উন্নয়ন
বোর্ডের
(পাউবো)
ওপর।
বলেন,
এই
হাওরের
বড়
ফসল
রক্ষা
বাঁধ
হলো
উতারিয়া
এলাকায়।
হাওরে
প্রথমে
জলাবদ্ধতা
দেখা
দেওয়া
পানিনিষ্কাশনের
জন্য
বাঁধটি
স্থানীয়
লোকজন
কেটে
দেন।
কিন্তু
পরদিনই
সেটি
আবার
প্রশাসন

পাউবোর
পক্ষ
থেকে
কৃষকদের
হুমকি
দিয়ে
মাটি
দিয়ে
আটকে
দেওয়া
হয়।
এটি
শুরুতে
কিছুদিন
খোলা
থাকলে
হাওরে
ফসলের
ক্ষতি
কম
হতো।