০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় মুক্তি পেলেন সাবেক পুলিশ সুপার

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:০০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • 6

তানভীর সালেহীন ইমন হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার বিকেল ৫টার দিকে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-৪ থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তানভীর সালেহীন ইমনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

তানভীর সালেহীন ইমনের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। তার বাবা মো. ইকবাল করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিউ মার্কেট ১ নম্বর গেট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হামলাকারীদের গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহত হন। এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের-সহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে আটক করে।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গ্রেপ্তারের দুই মাস পর তাকে বরখাস্ত করা হয়।

কুশল/সাএ

ট্যাগঃ

হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় মুক্তি পেলেন সাবেক পুলিশ সুপার

আপডেট সময়ঃ ০৯:০০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

তানভীর সালেহীন ইমন হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার বিকেল ৫টার দিকে কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-৪ থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তানভীর সালেহীন ইমনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

তানভীর সালেহীন ইমনের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। তার বাবা মো. ইকবাল করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিউ মার্কেট ১ নম্বর গেট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হামলাকারীদের গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহত হন। এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের-সহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে আটক করে।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গ্রেপ্তারের দুই মাস পর তাকে বরখাস্ত করা হয়।

কুশল/সাএ