০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেলের বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে উঠে এল কারাজীবনের স্মৃতি

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • 1

পরে
পানিসম্পদমন্ত্রী
শহীদ
উদ্দীন
চৌধুরী
এ্যানিও
তাঁর
বক্তব্যে
কারাজীবনের
স্মৃতিচারণা
করেন।
তিনি
বলেন,
‘রাজনৈতিক
জীবনে
বিভিন্ন
সময়ে
জেলে
গিয়েছি,
নির্যাতনের
শিকার
হয়েছি।
কিন্তু
বই
লিখব,
সেই
সুযোগটা
পাইনি।
জেলে
গিয়ে
ডায়েরি
লিখেছি,
কিন্তু
বের
হয়ে
আর
বই
প্রকাশ
করা
হয়নি,
যেটা
মিয়া
গোলাম
পরওয়ার
করেছেন।
এরশাদবিরোধী
আন্দোলনের
সময়
একবার
জেলে
গিয়েছিলাম।
আর
হাসিনার
আমলে
১১-১২
বার
জেলে
গিয়েছি।
এর
মধ্যে
সর্বোচ্চ
সাড়ে
ছয়
মাস
জেলে
ছিলাম।
আর
জুলাই
অভ্যুত্থানের
সময়
সর্বনিম্ন
১২
দিন
কারাগারে
ছিলাম।’

জামায়াত
নেতাদের
সঙ্গে
কারাজীবনের
স্মৃতি
তুলে
ধরে
শহীদ
উদ্দীন
চৌধুরী
বলেন,
‘এক-এগারোর
সময়
ব্যারিস্টার
আরমানের
বাবা
মীর
কাসেম
আলীর
সঙ্গে
কাশিমপুর
কারাগারে
দেখা
হয়েছিল।
আমার
সেলে
কাঁঠাল
বেশি
হয়
শুনে
তিনি
আমাকে
কাঁঠাল
পাঠাতে
বলেন।
আমি
২৬
নম্বর
সেলে
ছিলাম,
সেখানকার
কাঁঠালগাছে
অনেক
কাঁঠাল
হতো।
তিনি
কাঁঠাল
খেতে
পছন্দ
করতেন।
আমি
ওই
সব
গাছ
থেকে
কাঁঠাল
কেটে
তাঁর
জন্য
পাঠাতাম।’

স্মৃতিচারণা
করে
পানিসম্পদমন্ত্রী
বলেন,
‘একবার
বিএনপি

জামায়াতের
জ্যেষ্ঠ
নেতারা
মিলে
আবদুস
সালাম
পিন্টু

আমাকে
ভালো
খাওয়াদাওয়ার
ব্যবস্থা
করার
দায়িত্ব
দিলেন।
আমার
কারাগার
থেকে
মুক্তি
উপলক্ষে
এই
খাওয়াদাওয়ার
আয়োজন
করতে
বলেন
তাঁরা।
আমি
দায়িত্ব
পেয়ে
দেশি
মুরগির
মাংস
দিয়ে
খাবারের
ব্যবস্থা
করলাম।
খাওয়াদাওয়া
শেষে
ওই
দিন
সন্ধ্যায়ই
হাসিনা
সরকার
সবাইকে
আলাদা
আলাদা
জায়গায়
পাঠিয়ে
দিল,
যাতে

ধরনের
আয়োজন
আর
না
করা
যায়।
ওই
রাতেই
আমি
জামিনে
মুক্তি
পেলাম।’

ট্যাগঃ

জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেলের বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে উঠে এল কারাজীবনের স্মৃতি

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

পরে
পানিসম্পদমন্ত্রী
শহীদ
উদ্দীন
চৌধুরী
এ্যানিও
তাঁর
বক্তব্যে
কারাজীবনের
স্মৃতিচারণা
করেন।
তিনি
বলেন,
‘রাজনৈতিক
জীবনে
বিভিন্ন
সময়ে
জেলে
গিয়েছি,
নির্যাতনের
শিকার
হয়েছি।
কিন্তু
বই
লিখব,
সেই
সুযোগটা
পাইনি।
জেলে
গিয়ে
ডায়েরি
লিখেছি,
কিন্তু
বের
হয়ে
আর
বই
প্রকাশ
করা
হয়নি,
যেটা
মিয়া
গোলাম
পরওয়ার
করেছেন।
এরশাদবিরোধী
আন্দোলনের
সময়
একবার
জেলে
গিয়েছিলাম।
আর
হাসিনার
আমলে
১১-১২
বার
জেলে
গিয়েছি।
এর
মধ্যে
সর্বোচ্চ
সাড়ে
ছয়
মাস
জেলে
ছিলাম।
আর
জুলাই
অভ্যুত্থানের
সময়
সর্বনিম্ন
১২
দিন
কারাগারে
ছিলাম।’

জামায়াত
নেতাদের
সঙ্গে
কারাজীবনের
স্মৃতি
তুলে
ধরে
শহীদ
উদ্দীন
চৌধুরী
বলেন,
‘এক-এগারোর
সময়
ব্যারিস্টার
আরমানের
বাবা
মীর
কাসেম
আলীর
সঙ্গে
কাশিমপুর
কারাগারে
দেখা
হয়েছিল।
আমার
সেলে
কাঁঠাল
বেশি
হয়
শুনে
তিনি
আমাকে
কাঁঠাল
পাঠাতে
বলেন।
আমি
২৬
নম্বর
সেলে
ছিলাম,
সেখানকার
কাঁঠালগাছে
অনেক
কাঁঠাল
হতো।
তিনি
কাঁঠাল
খেতে
পছন্দ
করতেন।
আমি
ওই
সব
গাছ
থেকে
কাঁঠাল
কেটে
তাঁর
জন্য
পাঠাতাম।’

স্মৃতিচারণা
করে
পানিসম্পদমন্ত্রী
বলেন,
‘একবার
বিএনপি

জামায়াতের
জ্যেষ্ঠ
নেতারা
মিলে
আবদুস
সালাম
পিন্টু

আমাকে
ভালো
খাওয়াদাওয়ার
ব্যবস্থা
করার
দায়িত্ব
দিলেন।
আমার
কারাগার
থেকে
মুক্তি
উপলক্ষে
এই
খাওয়াদাওয়ার
আয়োজন
করতে
বলেন
তাঁরা।
আমি
দায়িত্ব
পেয়ে
দেশি
মুরগির
মাংস
দিয়ে
খাবারের
ব্যবস্থা
করলাম।
খাওয়াদাওয়া
শেষে
ওই
দিন
সন্ধ্যায়ই
হাসিনা
সরকার
সবাইকে
আলাদা
আলাদা
জায়গায়
পাঠিয়ে
দিল,
যাতে

ধরনের
আয়োজন
আর
না
করা
যায়।
ওই
রাতেই
আমি
জামিনে
মুক্তি
পেলাম।’