০১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরু রাস্তা ও পানির সংকটে কালশীর আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়েছে

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • 5

রাজধানীর কালশী বস্তিতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের ১২৩ ফায়ার ফাইটার কাজ করেছে। রাস্তাগুলো সরু হওয়া ও আশপাশে পানির কোনো উৎস না থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার।

সোমবার (২৫ মে) রাতে রাজধানীর পল্লবী এলাকার কালশী বস্তিতে অগ্নি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে আমাদের কন্ট্রোল রুম থেকে সংবাদ পাই কালশী বস্তিতে আগুনের ঘটনার। যেখানে প্রায় হাজার ১২০০ ঘর ও দোকান রয়েছে। তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লোকের বসতি। এরপর ৭টা ৩২ মিনিটে আমাদের প্রথম ইউনিট এখানে উপস্থিত হয়।

পরে আগুনের ভয়াবহতা দেখে আরও ১৪টি ইউনিট মোট ১৫টি ইউনিট ও ১২৩ জন ফায়ার ফাইটার, স্থানীয় জনগন, ভলেন্টিয়ার, পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আমরা ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণ করতে পারব। আগুনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও সূত্রপাত এখনো কিছু জানা যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে জানানো সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন
কালশী বস্তিতে দ্রুত ছড়াচ্ছে আগুন, পানির সংকটে ফায়ার সার্ভিস
নিভলো কালশী বস্তির আগুন

আগুন নিয়ন্ত্রণে এত বেগ পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কারণ এখানে রাস্তাগুলো ন্যারো সরু রাস্তা। যেখানে আগুনের ঘটনা ঘটেছে সেখানে পৌঁছানো যাচ্ছিল না। আর একটা বড় সমস্যা আশপাশে পানির কোনো উৎস নেই। যার কারণে আমাদের ১৫টা বিশেষ পানিবাহী গাড়ি নিয়ে আসতে হয়েছে। এবং সেই গাড়ি দিয়ে আগুনটা নিয়ে নিভাতে হয়েছে।

আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কারণ এখানে ভাঙারি ও কাগজপত্রের দোকান, প্লাস্টিকের জিনিসপত্রের দোকানের কারণে ধোঁয়া বেশি হচ্ছে। ভেতরের সব দাহ্য ধরনের যেমন কাগজ কাপড় টাইপের জিনিসপত্র ছিল। আজ বৃষ্টির কারণে বাতাস ছিল প্রচুর। যার কারণে আগুনটা দ্রুত ছড়িয়ে গেছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি, এখন পর্যন্ত কোনো নিখোঁজ ও হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

এখানে কয়েকদিন আগে উচ্ছেদ অভিযান হয়েছিল। এর সঙ্গে আগুনের কোনো যোগসূত্র আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে এটা বলতে পারবো। আমরা ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করবো।

কেআর/এমআইএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ

সরু রাস্তা ও পানির সংকটে কালশীর আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়েছে

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

রাজধানীর কালশী বস্তিতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের ১২৩ ফায়ার ফাইটার কাজ করেছে। রাস্তাগুলো সরু হওয়া ও আশপাশে পানির কোনো উৎস না থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার।

সোমবার (২৫ মে) রাতে রাজধানীর পল্লবী এলাকার কালশী বস্তিতে অগ্নি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে আমাদের কন্ট্রোল রুম থেকে সংবাদ পাই কালশী বস্তিতে আগুনের ঘটনার। যেখানে প্রায় হাজার ১২০০ ঘর ও দোকান রয়েছে। তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লোকের বসতি। এরপর ৭টা ৩২ মিনিটে আমাদের প্রথম ইউনিট এখানে উপস্থিত হয়।

পরে আগুনের ভয়াবহতা দেখে আরও ১৪টি ইউনিট মোট ১৫টি ইউনিট ও ১২৩ জন ফায়ার ফাইটার, স্থানীয় জনগন, ভলেন্টিয়ার, পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আমরা ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণ করতে পারব। আগুনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও সূত্রপাত এখনো কিছু জানা যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে জানানো সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন
কালশী বস্তিতে দ্রুত ছড়াচ্ছে আগুন, পানির সংকটে ফায়ার সার্ভিস
নিভলো কালশী বস্তির আগুন

আগুন নিয়ন্ত্রণে এত বেগ পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কারণ এখানে রাস্তাগুলো ন্যারো সরু রাস্তা। যেখানে আগুনের ঘটনা ঘটেছে সেখানে পৌঁছানো যাচ্ছিল না। আর একটা বড় সমস্যা আশপাশে পানির কোনো উৎস নেই। যার কারণে আমাদের ১৫টা বিশেষ পানিবাহী গাড়ি নিয়ে আসতে হয়েছে। এবং সেই গাড়ি দিয়ে আগুনটা নিয়ে নিভাতে হয়েছে।

আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কারণ এখানে ভাঙারি ও কাগজপত্রের দোকান, প্লাস্টিকের জিনিসপত্রের দোকানের কারণে ধোঁয়া বেশি হচ্ছে। ভেতরের সব দাহ্য ধরনের যেমন কাগজ কাপড় টাইপের জিনিসপত্র ছিল। আজ বৃষ্টির কারণে বাতাস ছিল প্রচুর। যার কারণে আগুনটা দ্রুত ছড়িয়ে গেছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি, এখন পর্যন্ত কোনো নিখোঁজ ও হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

এখানে কয়েকদিন আগে উচ্ছেদ অভিযান হয়েছিল। এর সঙ্গে আগুনের কোনো যোগসূত্র আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে এটা বলতে পারবো। আমরা ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করবো।

কেআর/এমআইএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।