০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১-১২তম নিবন্ধনধারীরা যোগ্য হলে এতদিনে কোথাও তো কিছু করতে পারতো

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • 3

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ১-১২তম নিবন্ধনধারীরা এখনো চাকরির জন্য ঘুরছেন। তাদের বয়স ৫০ পেরিয়ে গেছে। তারা যদি কোয়ালিফাইড (যোগ্য) হতো তাহলে অন্য কোথাও তো কিছু করতে পারতো। তারপরও চেষ্টা করছি তাদের আবার রি-এক্সামিন দিয়ে অ্যাকমোডেট করা যায় কি না।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এনটিআরসিএ আমিই তৈরি করেছিলাম। কারণ, কোয়ালিটি টিচার আমাদের দরকার। কোয়ালিটি টিচার পুল করার জন্য আমি এটা করেছিলাম।

তিনি বলেন, রাজনীতিবিদরা মনে করেন তাদের নিজেদের নামে স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে এটি বিরাট ক্রেডিটের ব্যাপার। যেখানে দরকার নেই সেখানেও প্রতিষ্ঠান হয়েছে। এটি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আমরা সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করেছিলাম। শুধু কোয়ালিফাইড শিক্ষক পেলে তারা প্রতিষ্ঠান করতে পারবেন। সেজন্য এনটিআরসিএর ব্যবস্থা হয়েছিল। কিন্তু এনটিআরসিএতে বলা হয়নি, পরীক্ষায় পাস করলেই তাকে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, পরবর্তীকালে সরকার এটি পাস করে তাদের শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু তারা দিতে পারেনি। কারণ, আপনি সার্টিফিকেট পেয়েছেন, এটা আপনার হাতে রইলো। অন্যান্য দেশে সিপিএ, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, ল’ ইয়ার বলেন- সব পেশায় একটা সার্টিফিকেট থাকতে হয়। সার্টিফিকেট থাকলেই যে ল প্র্যাকটিস করতে হবে, টিচার সার্টিফিকেট থাকলেই যে টিচিং করতে হবে- নট নেসেসারি।

ড. মিলন বলেন, আমি বলেছিলাম ফর থ্রি ইয়ারস দিস সার্টিফিকেট ইস ভ্যালিড। কিন্তু লাস্ট গভর্মেন্ট এটিকে এমন একটি অবস্থা করেছে, একদম ডাল-খিচুড়ি বানিয়ে দিয়েছে।

এএএইচ/এমকেআর

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ডা. শাফীকে নিয়ে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী

১-১২তম নিবন্ধনধারীরা যোগ্য হলে এতদিনে কোথাও তো কিছু করতে পারতো

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ১-১২তম নিবন্ধনধারীরা এখনো চাকরির জন্য ঘুরছেন। তাদের বয়স ৫০ পেরিয়ে গেছে। তারা যদি কোয়ালিফাইড (যোগ্য) হতো তাহলে অন্য কোথাও তো কিছু করতে পারতো। তারপরও চেষ্টা করছি তাদের আবার রি-এক্সামিন দিয়ে অ্যাকমোডেট করা যায় কি না।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এনটিআরসিএ আমিই তৈরি করেছিলাম। কারণ, কোয়ালিটি টিচার আমাদের দরকার। কোয়ালিটি টিচার পুল করার জন্য আমি এটা করেছিলাম।

তিনি বলেন, রাজনীতিবিদরা মনে করেন তাদের নিজেদের নামে স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে এটি বিরাট ক্রেডিটের ব্যাপার। যেখানে দরকার নেই সেখানেও প্রতিষ্ঠান হয়েছে। এটি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আমরা সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করেছিলাম। শুধু কোয়ালিফাইড শিক্ষক পেলে তারা প্রতিষ্ঠান করতে পারবেন। সেজন্য এনটিআরসিএর ব্যবস্থা হয়েছিল। কিন্তু এনটিআরসিএতে বলা হয়নি, পরীক্ষায় পাস করলেই তাকে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, পরবর্তীকালে সরকার এটি পাস করে তাদের শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু তারা দিতে পারেনি। কারণ, আপনি সার্টিফিকেট পেয়েছেন, এটা আপনার হাতে রইলো। অন্যান্য দেশে সিপিএ, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, ল’ ইয়ার বলেন- সব পেশায় একটা সার্টিফিকেট থাকতে হয়। সার্টিফিকেট থাকলেই যে ল প্র্যাকটিস করতে হবে, টিচার সার্টিফিকেট থাকলেই যে টিচিং করতে হবে- নট নেসেসারি।

ড. মিলন বলেন, আমি বলেছিলাম ফর থ্রি ইয়ারস দিস সার্টিফিকেট ইস ভ্যালিড। কিন্তু লাস্ট গভর্মেন্ট এটিকে এমন একটি অবস্থা করেছে, একদম ডাল-খিচুড়ি বানিয়ে দিয়েছে।

এএএইচ/এমকেআর