আগামীকাল
সোমবার
ইসলামাবাদে
যুক্তরাষ্ট্রের
সঙ্গে
ইরানের
দ্বিতীয়
দফা
বৈঠক
অনুষ্ঠিত
হওয়ার
ব্যাপক
গুঞ্জন
উঠেছিল।
কিন্তু
ইরান
সাফ
জানিয়ে
দিয়েছে,
তারা
আবার
আলোচনায়
বসতে
রাজি
নয়।
কারণ,
যুক্তরাষ্ট্র
‘অযৌক্তিক’
দাবিদাওয়া
তুলেছে।
ইরানের
এই
কঠোর
অবস্থান
থেকে
বোঝা
যায়,
দেশটির
পররাষ্ট্রনীতি
নির্ধারণে
এখন
আইআরজিসির
প্রভাবই
সবচেয়ে
বেশি।
আইআরজিসি
ভয়
পাচ্ছিল
যে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আরাগচি
হয়তো
ওয়াশিংটনকে
সময়ের
আগেই
অপ্রয়োজনীয়
কিছু
ছাড়
দিয়ে
দিচ্ছেন।
ডোনাল্ড
ট্রাম্প
ট্রুথ
সোশ্যালে
একের
পর
এক
পোস্ট
দেওয়ায়
আইআরজিসির
ক্ষোভ
আরও
বাড়ে।
ইরানের
পার্লামেন্ট
স্পিকার
এবং
শান্তি
আলোচনা
দলের
প্রধান
মোহাম্মদ
বাঘের
গালিবাফ
বলেন,
ট্রাম্পের
ওই
পোস্টগুলোর
অনেক
কথাই
ছিল
মিথ্যা।
পরে
বিষয়টি
স্পষ্ট
করে
বলা
হয়,
ইসলামাবাদে
আলোচনায়
গালিবাফের
সঙ্গী
আরাগচি
আসলে
বলতে
চেয়েছিলেন—যেসব
জাহাজ
আইআরজিসি
নৌবাহিনীর
অনুমতি
নেবে,
নির্ধারিত
রুট
ব্যবহার
করবে
এবং
নির্ধারিত
টোল
পরিশোধ
করবে,
শুধু
সেগুলোই
হরমুজ
প্রণালি
অতিক্রম
করতে
পারবে।
এডমিন 










