০৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রিনল্যান্ডের অন্দরেও ট্রাম্পশিবিরের কৌশলী তৎপরতা, হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • 1


ডেনমার্কের
উপনিবেশিক
অতীত
নিয়ে
অনুসন্ধান

কিছু
মার্কিন
নাগরিক
গ্রিনল্যান্ডের
জনগণের
ওপর
প্রভাব
বিস্তারের
জন্য
ডেনমার্কের
উপনিবেশিক
শাসনের
যন্ত্রণাদায়ক
ইতিহাস
সামনে
আনার
চেষ্টা
করছেন।
২০২৫
সালের
মার্চে
হোমল্যান্ড
সিকিউরিটি
বিভাগের
সাবেক
মন্ত্রী
ক্রিস্টি
নোয়েমের
উপদেষ্টা
ক্রিস
কক্স
গ্রিনল্যান্ড
সফরে
যান।
তখন
বোয়াসেনকে
তাঁর
আশপাশেই
দেখা
গেছে।

সফরের
পর
কক্স
যুক্তরাষ্ট্রের
রক্ষণশীল
ধারার
সংবাদমাধ্যমে
দাবি
করেন
যে
তিনি
‘শত
শত’
গ্রিনল্যান্ডবাসীর
সঙ্গে
কথা
বলে
ডেনমার্কের
ঐতিহাসিক
অন্যায়-অবিচারগুলো
চিহ্নিত
করেছেন।
তিনি
বলেন,
‘আমরা
গ্রিনল্যান্ডকে
ডেনমার্ক
থেকে
কিছুটা
স্বাধীনতা
অর্জনে
সহায়তা
করার
চেষ্টা
করতে
পারি।
এটাই
সবচেয়ে
ভালো
কাজ।’

কক্স
অভিযোগ
করেন,
ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডের
সঙ্গে
নানা
ধরনের
অবিচার
করছে।
এর
মধ্যে
আছে
ডেনমার্ক
সরকার
জনসংখ্যা
নিয়ন্ত্রণের
চেষ্টায়
‘গোপনে

জোরপূর্বকভাবে’
নারীদের
জন্মনিয়ন্ত্রণ
সামগ্রী
ব্যবহার
করতে
বাধ্য
করা।
১৯৬০

১৯৭০-এর
দশকে
ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডের
হাজার
হাজার
নারী

কিশোরীর
জরায়ুতে
জন্মনিয়ন্ত্রণ
যন্ত্র
স্থাপন
করেছিল।
২০২৪
সালে
গ্রিনল্যান্ডের
তৎকালীন
প্রধানমন্ত্রী
এই
কর্মসূচিকে
‘গণহত্যা’
হিসেবে
আখ্যায়িত
করেন।
পরবর্তীকালে
ডেনমার্ক
এর
জন্য
আনুষ্ঠানিকভাবে
ক্ষমা
চায়
এবং
ক্ষতিপূরণের
প্রস্তাব
দেয়।

কক্স
গ্রিনল্যান্ডে
ডেনমার্কের
আইনি
অধিকার
নিয়েও
প্রশ্ন
তোলেন।
তিনি
উল্লেখ
করেন,
১৯৫৩
সালে
ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে
জনগণের
ভোট
ছাড়াই
নিজেদের
অন্তর্ভুক্ত
করেছিল।
কক্সের
বক্তব্য
জানার
চেষ্টা
করেছিল
রয়টার্স,
তবে
তিনি
সে
অনুরোধে
সাড়া
দেননি।

গ্রিনল্যান্ডের
পার্লামেন্ট
সদস্য
বার্তেলসন
মনে
করেন,
এসব
মার্কিন
প্রচেষ্টা
গ্রিনল্যান্ডবাসীর
সমর্থন
নয়,
বরং
তাঁদের
মধ্যে
বিরূপ
প্রতিক্রিয়া
তৈরি
করেছে।

বার্তেলসনই
গত
ডিসেম্বরে
রেস্তোরাঁর
বাইরে
বোয়েসনের
মুখোমুখি
হয়েছিলেন।

বার্তেলসন
বলেন,
‘যুক্তরাষ্ট্র
এবং
দেশটির
বর্তমান
প্রশাসন
থেকে
আমরা
যে
মানসিক
চাপ

ভীতি
অনুভব
করেছি,
তা
আসলে
ট্রাম্প
প্রশাসনের
প্রত্যাশার
সম্পূর্ণ
বিপরীত
ফল
দিয়েছে।’

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

গ্রিনল্যান্ডের অন্দরেও ট্রাম্পশিবিরের কৌশলী তৎপরতা, হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


ডেনমার্কের
উপনিবেশিক
অতীত
নিয়ে
অনুসন্ধান

কিছু
মার্কিন
নাগরিক
গ্রিনল্যান্ডের
জনগণের
ওপর
প্রভাব
বিস্তারের
জন্য
ডেনমার্কের
উপনিবেশিক
শাসনের
যন্ত্রণাদায়ক
ইতিহাস
সামনে
আনার
চেষ্টা
করছেন।
২০২৫
সালের
মার্চে
হোমল্যান্ড
সিকিউরিটি
বিভাগের
সাবেক
মন্ত্রী
ক্রিস্টি
নোয়েমের
উপদেষ্টা
ক্রিস
কক্স
গ্রিনল্যান্ড
সফরে
যান।
তখন
বোয়াসেনকে
তাঁর
আশপাশেই
দেখা
গেছে।

সফরের
পর
কক্স
যুক্তরাষ্ট্রের
রক্ষণশীল
ধারার
সংবাদমাধ্যমে
দাবি
করেন
যে
তিনি
‘শত
শত’
গ্রিনল্যান্ডবাসীর
সঙ্গে
কথা
বলে
ডেনমার্কের
ঐতিহাসিক
অন্যায়-অবিচারগুলো
চিহ্নিত
করেছেন।
তিনি
বলেন,
‘আমরা
গ্রিনল্যান্ডকে
ডেনমার্ক
থেকে
কিছুটা
স্বাধীনতা
অর্জনে
সহায়তা
করার
চেষ্টা
করতে
পারি।
এটাই
সবচেয়ে
ভালো
কাজ।’

কক্স
অভিযোগ
করেন,
ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডের
সঙ্গে
নানা
ধরনের
অবিচার
করছে।
এর
মধ্যে
আছে
ডেনমার্ক
সরকার
জনসংখ্যা
নিয়ন্ত্রণের
চেষ্টায়
‘গোপনে

জোরপূর্বকভাবে’
নারীদের
জন্মনিয়ন্ত্রণ
সামগ্রী
ব্যবহার
করতে
বাধ্য
করা।
১৯৬০

১৯৭০-এর
দশকে
ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডের
হাজার
হাজার
নারী

কিশোরীর
জরায়ুতে
জন্মনিয়ন্ত্রণ
যন্ত্র
স্থাপন
করেছিল।
২০২৪
সালে
গ্রিনল্যান্ডের
তৎকালীন
প্রধানমন্ত্রী
এই
কর্মসূচিকে
‘গণহত্যা’
হিসেবে
আখ্যায়িত
করেন।
পরবর্তীকালে
ডেনমার্ক
এর
জন্য
আনুষ্ঠানিকভাবে
ক্ষমা
চায়
এবং
ক্ষতিপূরণের
প্রস্তাব
দেয়।

কক্স
গ্রিনল্যান্ডে
ডেনমার্কের
আইনি
অধিকার
নিয়েও
প্রশ্ন
তোলেন।
তিনি
উল্লেখ
করেন,
১৯৫৩
সালে
ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে
জনগণের
ভোট
ছাড়াই
নিজেদের
অন্তর্ভুক্ত
করেছিল।
কক্সের
বক্তব্য
জানার
চেষ্টা
করেছিল
রয়টার্স,
তবে
তিনি
সে
অনুরোধে
সাড়া
দেননি।

গ্রিনল্যান্ডের
পার্লামেন্ট
সদস্য
বার্তেলসন
মনে
করেন,
এসব
মার্কিন
প্রচেষ্টা
গ্রিনল্যান্ডবাসীর
সমর্থন
নয়,
বরং
তাঁদের
মধ্যে
বিরূপ
প্রতিক্রিয়া
তৈরি
করেছে।

বার্তেলসনই
গত
ডিসেম্বরে
রেস্তোরাঁর
বাইরে
বোয়েসনের
মুখোমুখি
হয়েছিলেন।

বার্তেলসন
বলেন,
‘যুক্তরাষ্ট্র
এবং
দেশটির
বর্তমান
প্রশাসন
থেকে
আমরা
যে
মানসিক
চাপ

ভীতি
অনুভব
করেছি,
তা
আসলে
ট্রাম্প
প্রশাসনের
প্রত্যাশার
সম্পূর্ণ
বিপরীত
ফল
দিয়েছে।’