০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল পড়তে শুরু করো

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • 3

রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুরের
আরেক
বিস্ময়কর
এলাকা
হলো
নাটক।
তাঁর
লেখা
নাটক
রক্তকরবী,
তাসের
দেশ,
বিসর্জন,
‌‌মুক্তধারা—এগুলো
এখনো
আধুনিক
এবং
বিশ্বমানের।
আমার
নিজের
ধারণা,
নাটকের
জন্যই
রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর
আজ
থেকে
১০০
বছর
পর,
২০০
বছর
পরও
আধুনিক
বলেই
বিবেচিত
হবেন।

রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর
প্রচুর
প্রবন্ধ-নিবন্ধ
লিখেছেন।
সমাজ,
বিশ্ব,
রাষ্ট্র,
জাতি
নিয়ে
তাঁর
চিন্তার
মধ্যে
এখন
পর্যন্ত
ভুল
কিছু
পাওয়া
যায়নি
বললেই
চলে।

একজীবনে
তিনি
যত
চিঠি
লিখেছেন,
আমরা
তা
দেখে
দেখে
কপি
করতেও
পারব
না,
এই
রকম
সেসবের
পরিমাণ।

তিনি
ছবি
এঁকেছেন।
ছবি
আঁকায়
তিনি
আধুনিকতার
প্রবর্তক।

তিনি
আবার
কাজও
করেছেন
অনেক
রকমের।
যেমন
তিনি
শান্তিনিকেতনে
বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠা
করেছেন।
সেখানে
গাছের
নিচে
ক্লাস
হবে,

রকম
একটা
ধারণা
ছিল
তাঁর।

প্রথম
ক্ষুদ্রঋণ
প্রবর্তন
করেন
রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর।
আধুনিক
উপায়ে
চাষবাস
করানোর
উদ্যোগ
নেন।
উন্নত
জাতের
গরু
নিয়ে
আসেন।
বীজ
নিয়ে
আসেন।
আলুর
চাষ
করেন।
মানে
এত
বিচিত্র
কাজ
করেছেন
তিনি,
আবার
এত
বিপুল
পরিমাণে
লিখে
গেছেন,
তাঁর
সমগ্র
জীবনটাই
বিস্ময়কর।

তাঁর
লেখা
কিন্তু
পড়তে
খুব
ভালো
লাগে।
তিনি
ছিলেন
মহারসিক।
লেখার
ছত্রে
ছত্রে
এই
রসিকতার
ঝিলিক
দেখতে
পাওয়া
যায়।

ট্যাগঃ

ছিনতাইকারীর কবলে জাগো নিউজের সাংবাদিক, খোয়ালেন মোবাইল-টাকা

রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল পড়তে শুরু করো

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুরের
আরেক
বিস্ময়কর
এলাকা
হলো
নাটক।
তাঁর
লেখা
নাটক
রক্তকরবী,
তাসের
দেশ,
বিসর্জন,
‌‌মুক্তধারা—এগুলো
এখনো
আধুনিক
এবং
বিশ্বমানের।
আমার
নিজের
ধারণা,
নাটকের
জন্যই
রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর
আজ
থেকে
১০০
বছর
পর,
২০০
বছর
পরও
আধুনিক
বলেই
বিবেচিত
হবেন।

রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর
প্রচুর
প্রবন্ধ-নিবন্ধ
লিখেছেন।
সমাজ,
বিশ্ব,
রাষ্ট্র,
জাতি
নিয়ে
তাঁর
চিন্তার
মধ্যে
এখন
পর্যন্ত
ভুল
কিছু
পাওয়া
যায়নি
বললেই
চলে।

একজীবনে
তিনি
যত
চিঠি
লিখেছেন,
আমরা
তা
দেখে
দেখে
কপি
করতেও
পারব
না,
এই
রকম
সেসবের
পরিমাণ।

তিনি
ছবি
এঁকেছেন।
ছবি
আঁকায়
তিনি
আধুনিকতার
প্রবর্তক।

তিনি
আবার
কাজও
করেছেন
অনেক
রকমের।
যেমন
তিনি
শান্তিনিকেতনে
বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠা
করেছেন।
সেখানে
গাছের
নিচে
ক্লাস
হবে,

রকম
একটা
ধারণা
ছিল
তাঁর।

প্রথম
ক্ষুদ্রঋণ
প্রবর্তন
করেন
রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর।
আধুনিক
উপায়ে
চাষবাস
করানোর
উদ্যোগ
নেন।
উন্নত
জাতের
গরু
নিয়ে
আসেন।
বীজ
নিয়ে
আসেন।
আলুর
চাষ
করেন।
মানে
এত
বিচিত্র
কাজ
করেছেন
তিনি,
আবার
এত
বিপুল
পরিমাণে
লিখে
গেছেন,
তাঁর
সমগ্র
জীবনটাই
বিস্ময়কর।

তাঁর
লেখা
কিন্তু
পড়তে
খুব
ভালো
লাগে।
তিনি
ছিলেন
মহারসিক।
লেখার
ছত্রে
ছত্রে
এই
রসিকতার
ঝিলিক
দেখতে
পাওয়া
যায়।