দেশের
৯০
শতাংশ
শিক্ষক
পাঠ্যসূচি
(সিলেবাস)
শেষ
করার
চাপের
কারণে
তুলনামূলক
‘পিছিয়ে
থাকা’
শিক্ষার্থীদের
যথেষ্ট
সময়
দিতে
পারেন
না।
প্রায়
দুই-তৃতীয়াংশ
শিক্ষক
পুরো
শিক্ষাবর্ষে
প্রয়োজনীয়
শিক্ষণ
উপকরণ
ব্যবহারের
মতো
পর্যাপ্ত
সময়
পান
না।
অনেক
ক্ষেত্রে
শিক্ষণসামগ্রীও
দেরিতে
পৌঁছেছে
তাঁদের
কাছে।
ঘন
ঘন
পাঠ্যক্রম
পরিবর্তন
শিক্ষার
মানোন্নয়নে
বাধা
তৈরি
করছে
বলে
মনে
করেন
৬০
শতাংশ
শিক্ষক।
‘ফ্রম
এভিডেন্স
টু
অ্যাকশন:
স্ট্রেনদেনিং
লার্নিং,
ইনক্লুশন
অ্যান্ড
ইনোভেশন
ইন
ক্লাসরুম
ইন
বাংলাদেশ’
শীর্ষক
গবেষণার
ফলাফল
প্রকাশ
অনুষ্ঠানে
এসব
তথ্য
তুলে
ধরা
হয়।
আজ
বৃহস্পতিবার
সকালে
রাজধানীর
বনানীর
একটি
হোটেলে
এই
অনুষ্ঠানের
আয়োজন
করে
জাতিসংঘের
শিশুবিষয়ক
সংস্থা
ইউনিসেফ।
অনুষ্ঠানে
প্রধান
অতিথি
ছিলেন
শিক্ষা
এবং
প্রাথমিক
ও
গণশিক্ষামন্ত্রী
আ
ন
ম
এহছানুল
হক
মিলন।
২০২৩
থেকে
২০২৫
সাল
পর্যন্ত
পরিচালিত
এই
গবেষণায়
দেশের
১৪২টি
বিদ্যালয়ের
১৫
হাজারের
বেশি
শিক্ষার্থী
ও
৮০০–এর
বেশি
শিক্ষক
অংশ
নেন।
এতে
বিভিন্ন
পর্যায়ে
তথ্য
সংগ্রহ
করে
ইউনিসেফ।
গবেষণাটি
পরিচালনা
করে
ইউনিসেফ,
শিক্ষা
মন্ত্রণালয়,
এনসিটিবিসহ
কয়েকটি
সংশ্লিষ্ট
প্রতিষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে
গবেষণা
ফলাফল
তুলে
ধরেন
ইউনিসেফের
শিক্ষা
ব্যবস্থাপনাবিষয়ক
গবেষণা
দলের
প্রধান
থমাস
ওয়েলস
ড্রেসেন
ও
একই
গবেষণা
দলের
পরামর্শক
অনিন্দিতা
নুগ্রহ।
গবেষণা
ফলাফলে
বলছে,
ষষ্ঠ
শ্রেণিতে
ভর্তি
হওয়া
অধিকাংশ
শিক্ষার্থী
পঞ্চম
শ্রেণির
মৌলিক
দক্ষতাই
অর্জন
করতে
পারেনি।
বিশেষ
করে
গণিতে
পরিস্থিতি
সবচেয়ে
উদ্বেগজনক।
জরিপে
অংশ
নেওয়া
শিক্ষার্থীদের
৯১
শতাংশ
‘নভিস’
বা
প্রাথমিক
স্তরে
ছিল।
অর্থাৎ
তারা
পঞ্চম
শ্রেণির
সক্ষমতার
ওপর
নেওয়া
পরীক্ষার
অর্ধেক
প্রশ্নেরও
সঠিক
উত্তর
দিতে
পারেনি।
এর
মধ্যে
গণিতে
৯১
শতাংশ
ছাড়াও
বাংলায়
৬৫
শতাংশ।
এর
বাইরে
৫০
শতাংশ
শিক্ষার্থী
পড়তে
পারে
না
তাদের
শ্রেণি
অনুযায়ী।
গবেষকেরা
বলছেন,
এটি
শুধু
কিছু
দুর্বল
শিক্ষার্থীর
সমস্যা
নয়;
বরং
এমন
বাস্তবতা
তৈরি
হয়েছে,
যেখানে
প্রায়
পুরো
শ্রেণিই
পাঠ্যক্রমের
প্রত্যাশিত
মানের
নিচে
অবস্থান
করছে।
ফলে
শিক্ষকেরা
এমন
শ্রেণিকক্ষ
সামলাচ্ছেন,
যেখানে
অধিকাংশ
শিক্ষার্থীরই
ভিত্তিগত
ঘাটতি
রয়েছে।
এই
পরিস্থিতি
মোকাবিলায়
‘অ্যাকসেলারেটেড
লার্নিং
এনহ্যান্সমেন্ট
স্ট্র্যাটেজি’
(এএলইস)
নামে
একটি
উদ্যোগ
চালু
হয়
গবেষণা
চলাকালে।
এর
মাধ্যমে
বাংলা,
ইংরেজি,
গণিত
ও
বিজ্ঞানে
শিক্ষার্থীদের
শেখার
অবস্থান
অনুযায়ী
আলাদা
সহায়তা
দেওয়ার
চেষ্টা
করা
হয়।
লক্ষ্য
ছিল,
পিছিয়ে
থাকা
শিক্ষার্থীদের
ধাপে
ধাপে
মাধ্যমিক
স্তরের
পাঠের
উপযোগী
করে
তোলা।
এডমিন 

















