০৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘যা আয় হয়, খায়ে কিছু থাহে না’

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • 1

বাবুবাজার
থেকে
ডেমরা,
ডেমরা
থেকে
বাবুবাজার।

পথেই
ঘুরপাক
খায়
মারুফের
জীবন।
একটি
মিনিবাস
চালকের
সহযোগী
সে।
বয়স
১২
বছর।
অল্প
বয়সেই
সংসারের
হাল
ধরতে
জীবনযুদ্ধে
নেমে
পড়তে
হয়েছে
তাকে।

গত
সোমবার
দুপুরে
রাজধানীর
যাত্রাবাড়ী
মোড়ে
দেখা
হয়
মারুফের
সঙ্গে।
তখন
সে
বাবুবাজারগামী
যাত্রী
ডাকছিল।
পরিচয়
দিয়ে
কথা
বলতে
চাইলে
প্রথমে
লাজুক
হেসে
এড়িয়ে
যেতে
চেয়েছিল।
পরে
একটু
স্বাভাবিক
হলে
জানায়,
তিন
মাস
ধরে

কাজ
করছে।
ভোর
ছয়টায়
কাজ
শুরু
হয়,
শেষ
হতে
হতে
কখনো
রাত
দশটা,
কখনো
এগারোটা।

কাজ
শেষে
কোথায়
যায়,
জিজ্ঞাসা
করতেই
ছোট্ট
করে
উত্তর,
‘বাড়ি
নাইক্কা,
গাড়িতেই
থাকি।’

মারুফের
বাবা
নেই।
মা
আগে
ঢাকাতেই
পোশাক
কারখানায়
চাকরি
করতেন।
এখন
তিনি
বরিশালে
গ্রামে
তাঁর
মায়ের
সঙ্গে
থাকেন।
কাজ
করতে
পারেন
না।
ফলে
সংসার
চালাতে
মারুফকেই
কাজ
করতে
হয়।
মারুফ
বলে,
‘গ্রামে
মায়ে
আর
নানি
থাকে।
তিন
শ,
চার

যা
আয়
হয়,
সবই
পাঠায়া
দেই।’

নিজের
খরচ
চলে
কীভাবে,
জানতে
চাইলে
ভিন্ন
এক
আয়ের
কথা
জানায়
মারুফ।
তার
ভাষায়
এটি
হলো
‘গেটের
ধান্দা’।
বাসের
ফটকে
যেসব
লোক
দাঁড়িয়ে
যাতায়াত
করেন,
তাঁদের
ভাড়াটা
সে
পায়।
‘ওস্তাদকে’(বাসচালক)
দিতে
হয়
না।
মারুফ
জানায়,
দিনে
৫০,
৬০;
আবার
কপাল
ভালো
থাকলে
এভাবে
১০০
টাকাও
আয়
হয়
কোনো
কোনো
দিন।

ট্যাগঃ

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর কেইন বললেন, ‘ইতিহাস গড়তে চাই’

‘যা আয় হয়, খায়ে কিছু থাহে না’

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

বাবুবাজার
থেকে
ডেমরা,
ডেমরা
থেকে
বাবুবাজার।

পথেই
ঘুরপাক
খায়
মারুফের
জীবন।
একটি
মিনিবাস
চালকের
সহযোগী
সে।
বয়স
১২
বছর।
অল্প
বয়সেই
সংসারের
হাল
ধরতে
জীবনযুদ্ধে
নেমে
পড়তে
হয়েছে
তাকে।

গত
সোমবার
দুপুরে
রাজধানীর
যাত্রাবাড়ী
মোড়ে
দেখা
হয়
মারুফের
সঙ্গে।
তখন
সে
বাবুবাজারগামী
যাত্রী
ডাকছিল।
পরিচয়
দিয়ে
কথা
বলতে
চাইলে
প্রথমে
লাজুক
হেসে
এড়িয়ে
যেতে
চেয়েছিল।
পরে
একটু
স্বাভাবিক
হলে
জানায়,
তিন
মাস
ধরে

কাজ
করছে।
ভোর
ছয়টায়
কাজ
শুরু
হয়,
শেষ
হতে
হতে
কখনো
রাত
দশটা,
কখনো
এগারোটা।

কাজ
শেষে
কোথায়
যায়,
জিজ্ঞাসা
করতেই
ছোট্ট
করে
উত্তর,
‘বাড়ি
নাইক্কা,
গাড়িতেই
থাকি।’

মারুফের
বাবা
নেই।
মা
আগে
ঢাকাতেই
পোশাক
কারখানায়
চাকরি
করতেন।
এখন
তিনি
বরিশালে
গ্রামে
তাঁর
মায়ের
সঙ্গে
থাকেন।
কাজ
করতে
পারেন
না।
ফলে
সংসার
চালাতে
মারুফকেই
কাজ
করতে
হয়।
মারুফ
বলে,
‘গ্রামে
মায়ে
আর
নানি
থাকে।
তিন
শ,
চার

যা
আয়
হয়,
সবই
পাঠায়া
দেই।’

নিজের
খরচ
চলে
কীভাবে,
জানতে
চাইলে
ভিন্ন
এক
আয়ের
কথা
জানায়
মারুফ।
তার
ভাষায়
এটি
হলো
‘গেটের
ধান্দা’।
বাসের
ফটকে
যেসব
লোক
দাঁড়িয়ে
যাতায়াত
করেন,
তাঁদের
ভাড়াটা
সে
পায়।
‘ওস্তাদকে’(বাসচালক)
দিতে
হয়
না।
মারুফ
জানায়,
দিনে
৫০,
৬০;
আবার
কপাল
ভালো
থাকলে
এভাবে
১০০
টাকাও
আয়
হয়
কোনো
কোনো
দিন।