১১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ইরানে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০১:০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • 47

ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইরানে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ছয়জনই আরব জাতিগত বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং একজন কুর্দি সংখ্যালঘু।

তাদের মধ্যে ছয় আরব ব্যক্তি দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের খুজেস্তান প্রদেশের খোররামশহরে সশস্ত্র হামলা ও বোমা বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। ওই ঘটনায় চারজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হন।

অন্যদিকে, কুর্দি নাগরিক সামান মোহাম্মাদি খিয়ারে ২০০৯ সালে সানানদাজ শহরে সরকার সমর্থক সুন্নি ধর্মীয় নেতা মামুস্তা শেখ আল ইসলামকে হত্যা করার দায়ে দণ্ডিত হন।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই মৃত্যুদণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে। তারা দাবি করছে, অভিযুক্তদের স্বীকারোক্তি নির্যাতনের মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে। বিশেষ করে সামান খিয়ারের বয়স হত্যাকাণ্ডের সময় মাত্র ১৫ বা ১৬ বছর ছিল এবং গ্রেপ্তারের সময়ও মাত্র ১৯ বছর বয়সী ছিলেন।

সংগঠনগুলো আরও বলছে, ইরান সরকার প্রায়শই জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধকে বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গোপন করার চেষ্টা করে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইরানে এক হাজারের বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে, যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

ট্যাগঃ

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর কেইন বললেন, ‘ইতিহাস গড়তে চাই’

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ইরানে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

আপডেট সময়ঃ ০১:০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইরানে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ছয়জনই আরব জাতিগত বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং একজন কুর্দি সংখ্যালঘু।

তাদের মধ্যে ছয় আরব ব্যক্তি দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের খুজেস্তান প্রদেশের খোররামশহরে সশস্ত্র হামলা ও বোমা বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। ওই ঘটনায় চারজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হন।

অন্যদিকে, কুর্দি নাগরিক সামান মোহাম্মাদি খিয়ারে ২০০৯ সালে সানানদাজ শহরে সরকার সমর্থক সুন্নি ধর্মীয় নেতা মামুস্তা শেখ আল ইসলামকে হত্যা করার দায়ে দণ্ডিত হন।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই মৃত্যুদণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে। তারা দাবি করছে, অভিযুক্তদের স্বীকারোক্তি নির্যাতনের মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে। বিশেষ করে সামান খিয়ারের বয়স হত্যাকাণ্ডের সময় মাত্র ১৫ বা ১৬ বছর ছিল এবং গ্রেপ্তারের সময়ও মাত্র ১৯ বছর বয়সী ছিলেন।

সংগঠনগুলো আরও বলছে, ইরান সরকার প্রায়শই জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধকে বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গোপন করার চেষ্টা করে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইরানে এক হাজারের বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে, যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।