০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়েতের গ্র্যান্ড মসজিদে স্থান পেলো বাংলাদেশি শিল্পীর ক্যালিগ্রাফি

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 58

কুয়েতের ঐতিহাসিক ও প্রধান ধর্মীয় স্থান গ্র্যান্ড মসজিদ-এর গ্যালারিতে প্রথমবারের মতো স্থান পেলো বাংলাদেশের একজন শিল্পীর করা ক্যালিগ্রাফি। এটি বাংলাদেশের ক্যালিগ্রাফি শিল্পের জন্য একটি গৌরবজনক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন মসজিদ কর্তৃপক্ষের প্রধান বদর মা’জুন আল ঢাফিরি-এর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুটি ক্যালিগ্রাফি তুলে দেন।

বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানায়, কুয়েতের এই গ্র্যান্ড মসজিদে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, তুরস্ক, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ক্যালিগ্রাফি বহুদিন ধরেই প্রদর্শিত হচ্ছে। তবে এতদিন বাংলাদেশি কোনো শিল্পীর কাজ সেখানে প্রদর্শনের সুযোগ পায়নি।

রাষ্ট্রদূতের এই উদ্যোগে কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইসলামী স্থাপনায় বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও শিল্পের উপস্থিতি নিশ্চিত হলো। এতে করে কুয়েতে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত তারেক হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার অংশ হিসেবেই এই প্রয়াস। আমরা চাই আমাদের প্রতিভা ও ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও স্বীকৃতি পাক।”

ট্যাগঃ

ছিনতাইকারীর কবলে জাগো নিউজের সাংবাদিক, খোয়ালেন মোবাইল-টাকা

কুয়েতের গ্র্যান্ড মসজিদে স্থান পেলো বাংলাদেশি শিল্পীর ক্যালিগ্রাফি

আপডেট সময়ঃ ০৪:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুয়েতের ঐতিহাসিক ও প্রধান ধর্মীয় স্থান গ্র্যান্ড মসজিদ-এর গ্যালারিতে প্রথমবারের মতো স্থান পেলো বাংলাদেশের একজন শিল্পীর করা ক্যালিগ্রাফি। এটি বাংলাদেশের ক্যালিগ্রাফি শিল্পের জন্য একটি গৌরবজনক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন মসজিদ কর্তৃপক্ষের প্রধান বদর মা’জুন আল ঢাফিরি-এর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুটি ক্যালিগ্রাফি তুলে দেন।

বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানায়, কুয়েতের এই গ্র্যান্ড মসজিদে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, তুরস্ক, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ক্যালিগ্রাফি বহুদিন ধরেই প্রদর্শিত হচ্ছে। তবে এতদিন বাংলাদেশি কোনো শিল্পীর কাজ সেখানে প্রদর্শনের সুযোগ পায়নি।

রাষ্ট্রদূতের এই উদ্যোগে কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইসলামী স্থাপনায় বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও শিল্পের উপস্থিতি নিশ্চিত হলো। এতে করে কুয়েতে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত তারেক হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার অংশ হিসেবেই এই প্রয়াস। আমরা চাই আমাদের প্রতিভা ও ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও স্বীকৃতি পাক।”