০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোদ দেখে স্বস্তিতে কৃষক

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • 13

ভারী বৃষ্টিপাত না হলেও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জে আবারও বাড়ছে সব নদনদীর পানি। তবে সকাল থেকে রোদের দেখা মেলায় স্বস্তি ফিরেছে কৃষকের মনে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মামুন হাওলাদার জানান, রোববার (৩ মে) দুপুর পর্যন্ত সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি ২৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১.৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তবে আবহাওয়ার পূ্র্বাভাস অনুযায়ী, রোববার থেকে সুনামগঞ্জ ও ভারতের মেঘালয়ে আরও চারদিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে নদ-নদীর পানি বেড়ে আগাম বন্যার আশংকা রয়েছে।

এদিকে সকলে থেকে এই জেলায় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় হাওরজুড়ে কৃষকরা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে ধান কাটা, মাড়াই শুরু করেছে।

হাওরের কৃষাণী মায়ারুল বিবি বলেন, সকাল থেকে রোদের দেখা মেলায় আবার ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত আছি। কয়েকদি’ন আবহাওয়া ভালো থাকলেই ধান ঘরে তুলতে পারবো।

কৃষক হুসাইন বলেন, সকাল থেকে রোদ উঠেছে। এতে মনে স্বস্তি ফিরেছে। হাওরের যে ধানগুলো রয়েছে সেগুলো দ্রুত কাটা-মাড়াইয়ের কাজ করছি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মামুন হাওলাদার জানান, জেলায় কোনো নদীর পানি এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে বৌলাই, রক্তি, যাদুকাটা, পাটলাই নদীর পানি বেড়েছে।

এদিকে, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওমর ফারুখ বলেন, এ বছর হাওরে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমি বোরো চাষাবাদ হয়েছে। শনিবার বিকেল পর্যন্ত হাওরে ১ লাখ ২১ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় ১৯ হাজার হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

লিপসন আহমেদ/এএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ

রোদ দেখে স্বস্তিতে কৃষক

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ভারী বৃষ্টিপাত না হলেও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জে আবারও বাড়ছে সব নদনদীর পানি। তবে সকাল থেকে রোদের দেখা মেলায় স্বস্তি ফিরেছে কৃষকের মনে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মামুন হাওলাদার জানান, রোববার (৩ মে) দুপুর পর্যন্ত সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি ২৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১.৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তবে আবহাওয়ার পূ্র্বাভাস অনুযায়ী, রোববার থেকে সুনামগঞ্জ ও ভারতের মেঘালয়ে আরও চারদিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে নদ-নদীর পানি বেড়ে আগাম বন্যার আশংকা রয়েছে।

এদিকে সকলে থেকে এই জেলায় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় হাওরজুড়ে কৃষকরা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে ধান কাটা, মাড়াই শুরু করেছে।

হাওরের কৃষাণী মায়ারুল বিবি বলেন, সকাল থেকে রোদের দেখা মেলায় আবার ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত আছি। কয়েকদি’ন আবহাওয়া ভালো থাকলেই ধান ঘরে তুলতে পারবো।

কৃষক হুসাইন বলেন, সকাল থেকে রোদ উঠেছে। এতে মনে স্বস্তি ফিরেছে। হাওরের যে ধানগুলো রয়েছে সেগুলো দ্রুত কাটা-মাড়াইয়ের কাজ করছি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মামুন হাওলাদার জানান, জেলায় কোনো নদীর পানি এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে বৌলাই, রক্তি, যাদুকাটা, পাটলাই নদীর পানি বেড়েছে।

এদিকে, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওমর ফারুখ বলেন, এ বছর হাওরে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমি বোরো চাষাবাদ হয়েছে। শনিবার বিকেল পর্যন্ত হাওরে ১ লাখ ২১ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় ১৯ হাজার হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

লিপসন আহমেদ/এএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।