তবে
এসব
সমালোচনার
প্রতিবাদ
জানিয়েছেন
প্রেসিডেন্ট
মুইজ্জুর
মুখপাত্র
মোহাম্মদ
হোসেন
শরিফ।
তিনি
বলেন,
‘এই
ফৌজদারি
বিচারিক
প্রক্রিয়াকে
গণমাধ্যমের
ওপর
হামলা
হিসেবে
দেখানোর
যেকোনো
চেষ্টা
অযৌক্তিক
এবং
রাজনৈতিক
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
ঘটনার
মূলে
রয়েছে
‘আয়শা’
শিরোনামের
একটি
প্রামাণ্যচিত্র।
গত
২৮
মার্চ
আদাদুর
সোশ্যাল
মিডিয়া
অ্যাকাউন্টে
এটি
প্রকাশ
করা
হয়।
প্রামাণ্যচিত্রটিতে
পরিচয়
গোপন
রাখা
এক
নারী
দাবি
করেছেন,
৪৭
বছর
বয়সী
মুইজ্জুর
সঙ্গে
তাঁর
সম্পর্ক
ছিল।
প্রেসিডেন্ট
মুইজ্জু
বিবাহিত
এবং
তিন
সন্তানের
জনক।
তবে
শুরু
থেকেই
তিনি
এসব
অভিযোগকে
‘ভিত্তিহীন
মিথ্যা’
বলে
উড়িয়ে
দিয়েছেন।
আদাদুতে
পুলিশের
অভিযান
প্রামাণ্যচিত্রটি
প্রকাশের
ঘটনায়
গত
এপ্রিলে
আদাদুর
কার্যালয়ে
অভিযান
চালায়
পুলিশ।
অভিযানে
সাংবাদিক,
বিপণনকর্মী
ও
প্রশাসনিক
কর্মকর্তাদের
ল্যাপটপসহ
হার্ডড্রাইভ
ও
পেনড্রাইভ
জব্দ
করা
হয়।
আদাদুর
তথ্য
অনুযায়ী,
প্রেসিডেন্ট
মুইজ্জু
তাঁর
সাবেক
নারী
সহকারীকে
গভীর
রাতে
ফোন
করতেন
বলে
অভিযোগ
ওঠে।
এ
নিয়ে
প্রশ্ন
করায়
সাংবাদিক
শাহজাহানকে
জেল
দেওয়া
হয়।
আর
প্রসিকিউটরদের
অনুরোধে
সোমবার
ফৌজদারি
আদালত
ওই
প্রামাণ্যচিত্র
নিয়ে
আলোচনার
ওপর
যে
নিষেধাজ্ঞা
দিয়েছিল,
সে
বিষয়ে
খবর
প্রকাশ
করায়
নাসিরকে
দণ্ড
দেওয়া
হয়।
আদালতের
ওয়েবসাইটে
প্রকাশিত
ওই
আদেশে
বলা
হয়,
সম্মানের
অধিকার
রক্ষায়
সাংবিধানিক
বিধান
অনুযায়ী
এসব
অভিযোগ
নিয়ে
প্রত্যক্ষ
বা
পরোক্ষ
কোনো
আলোচনাই
করা
যাবে
না।
এডমিন 














